সিলেট বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্টানগুলোতে বাজার পরিদর্শন করলো আবগারী ও ভ্যাট বিভাগ কর্মকর্তারা

প্রকাশিত: ১১:২৪ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৩, ২০২০

ডায়ালসিলেট ডেস্ক :: নগরীর বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্টানগুলোতে বাজার পরিদর্শন করলেন ভ্যাট কর্মকর্তারা। কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট সিলেট এর উদ্যোগে সিলেট নগরীর বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্টানগুলোতে বাজার পরিদর্শন করেছেন আবগারী ও ভ্যাট বিভাগ সিলেটের ভ্যাট কর্মকর্তারা।

বৃহস্পতিবার বিকেলে সিলেট ভ্যাট রাজস্ব কর্মকর্তা মো.নুরুল আমিনের এর নেতৃত্বে নগরীর বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ব্যবসায়ীরা কাস্টমারদের বিভিন্ন পণ্যের উপর সঠিকভাবে ভ্যাট প্রদান করছে কিনা এবং জনগনের ক্রয়কৃত ভ্যাট সঠিক চালান পাচ্ছে কিনা সে বিষয়ে খোজ নেন তারা।

ক্রেতারা তার পণ্যের চালান সঠিকভাবে গ্রহনের মাধ্যমে ভ্যাট পরিশোধ হচ্ছে কিনা তা যাচাই-বাছাই করেন ভ্যাট কর্মকর্তাবৃন্দ। এই ভ্যাট প্রদানের মাধ্যমে সরকারের কোষাগারে জমা হচ্ছে এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের মাধ্যমে পরিকল্পিত ডিজিটাল বাংলাদেশ উন্নত দেশে পরিনত হবে।

ভ্যাট রাজস্ব কর্মকর্তা মো নরুল আমিন বলেন, ভ্যাট ফাকির প্রবনতা থাকলে তার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। আগে ভ্যাট ফাকি দেয়া সহজ ছিল কিন্তু এখন সকলেই সঠিকভাবে ভ্যাট দিচ্ছে। ব্যবসায়ীদের ভ্যাট প্রদানে উদ্বুদ্ধকরনের জন্য এনবিআর নতুন ভ্যাট আইন প্রণয়ন করেছে। সেজন্যে জনগন ও ব্যবসায়ীদের বুঝতে বা পৌছতে সময় লাগছে। তবে সেটি অতিশীঘ্রই সমাধান হবে।

কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট সিলেট কমিশনার গোলাম মো. মুনীর ও অতিরিক্ত কমিশনার মো.সফিউর রহমান এর নেতৃত্বে অনলাইনের ভ্যাট রেজিষ্ট্রেশনের মাধ্যমে ব্যবসায়ীদের জন্য অনলাইন ট্রেনিং এর ব্যবস্থা করেছেন। যাতে ব্যবসায়ীরা নতুন অনলাইন আইন সম্পর্কে সহজে বুঝতে পারেন জানতে পারেন। যাতে করে ব্যবসায়ীরা কিভাবে একজন ক্রেতার কাছ থেকে কিভাবে ভ্যাট আদায় করবেন এবং একজন ক্রেতা তার ক্রয়কৃত দ্রব্য-ক্রয়ের মাধ্যমে সঠিকভাবে ভ্যাট চালান সংগ্রহ করা। তাই ব্যবসায়ী ও জনগনদের ভ্যাট আদায় ও প্রদানে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন,সিলেট ভ্যাট ডিভিশনের এআরও প্রদীপ রঞ্জন, রিয়াজুল ইসলাম, হালিম মিয়াজী প্রমুখ।

উল্লেখ্য, বর্তমানে এনবিআর ঢাকা ও চট্রগ্রামে কয়েকটি মেশিন দিয়ে প্রথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। পরবর্তিতে তা দেশের বিভিন্ন স্থানে সরাসরি এনবিআর এ ভ্যাট এর টাকা জমা হবে বলে জানান কাস্টমস কর্মকর্তারা। একইসাথে নতুন কাস্টমস আইনের বাস্তবায়ন করে দেশের উন্নয়নে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

একইসাথে ভ্যাট সম্পর্কিত যেকোন বিষয়ে ব্যবসায়ী বা ক্রেতারা বুঝতে সমস্যা হলে কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট সিলেট সদর দপ্তরে সহযোগিতা প্রদান করা হবে।

ভুল তথ্যদিয়ে কোন ক্রেতা তার ব্যবসায়ীকে হয়রানি বা ব্যক্তিস্বার্থে বা সরকারি কর্মকর্তাদের ভ্যাট ফাকি সম্পর্কে তথ্য প্রমানিত না করতে পারে তাহলে সেই প্রতিষ্টান বা কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট ঐ ক্রেতার বিরোদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থাও নিতে পারবে।