সিলেটবাসীকে কাদিঁয়ে চলে গেলেন কামরান, বাবা-মার কবরের পাশে দাফন

প্রকাশিত: ৬:৫৮ অপরাহ্ণ, জুন ১৫, ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক :: সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য যাকে সিলেটের জনগনের কাছে মেয়র না থেকেই তাকে মেয়র কামরান বলেই সম্মুধন করত। সেই বদর উদ্দিন আহমদ কামরান আজ সিলেটবাসীকে কাদিয়ে চলে গেলেন পরপারে। আর হাসিমাখা মুখ চেহারা কেউ আর দেখবে না, গরীব দুখী মানুষের পাশে এসে
আর দাড়াবেন না। আত্নত্যাগী এই নেতা সিলেটবাসীর মানুষদের আপন করে নিতেন খুব সহজেই।তার মধ্যে ছিলনা কোন রাখ অবিমান শুধু মুখে ছিল হাসি। ছোট বড় সকলকেই তিনি সালাম দিতেন সম্মান করতেন। আজ তিনি চির নিদ্রায়শাহিত হলেন।

তিনি সোমবার (১৫ জুন) সকাল সাড়ে ভোর রাতে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল মারা যান।পরে কামরানের মরদেহ অ্যাম্বুলেন্স যোগে নিয়ে আসা হয় সিলেটের নিজ বাড়িতে

বদরউদ্দিন আহমদ কামরানের লাশ প্রথমে সিলেট নগরের ছড়ারপারস্থ বাসায় আনা হয়।এরপর সেখানে গোসল করানো হয়। পরে যেহরের নামাজ শেষে তার ১ম জানাজা ছড়ারপাড় জামে মসজিদ এবং ২য় জামাত নগরের মানিকপীর টিলায় পরানো হয় এসময় সিলেটের দলমত নির্বিশেষে হাজারো মুসল্লির সমাগমে জানাযার কাজ সম্পন্ন করা হয়। পরে বদর উদ্দিন আহমদ কামরানের লাশ তার বাবা-মায়ের কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।

সোমবার ১৫ জুনের প্রথম প্রহরে রাত ৩টার দিকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বদরউদ্দিন আহমদ কামরান মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৯ বছর।

এর আগে গত ৫ জুন ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কামরানের করোনা শনাক্ত হয়।পরদিন ৬ জুন সকালে সিলেট শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি।
অবস্থার কিছুটা অবনতি হলে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ৭ জুন বিকেলে তাকে সিলেটের শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতাল থেকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি করা হয় তাকে।
এরপর সোমবার ১৫ জুন ভোর রাত ৩টায় দিকে তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৯ বছর।
বদরউদ্দিন আহমদ কামরান আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য। তিনি টানা প্রায় ২০ বছর সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। তার এ মৃতু্যতে
সর্বমহলের শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন।

0Shares