গণতন্ত্র মুক্তি পাক, স্বৈরাচার নিপাত যাক

প্রকাশিত: ১:৩৩ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১০, ২০২০

ডায়ালসিলেট ডেস্কঃঃ

বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে স্মরণীয় ব্যক্তিত্ব, যিনি ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর তৎকালীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি লেফটেন্যান্ট জেনারেল হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের স্বৈরাচারী শাসন ব্যবস্থার বিরুদ্ধে সংগঠিত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলন চলাকালে পুলিশের গুলিতে নিহত হন।তাঁর বুকে-পিঠে উৎকীর্ণ ছিল ‘গণতন্ত্র মুক্তি পাক, স্বৈরাচার নিপাত যাক’ এই উদীপ্ত স্লোগান।

নূর হোসেনের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁর নামে স্মারক ডাকটিকেট প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতি বছরের ১০ই নভেম্বর বাংলাদেশে “নূর হোসেন দিবস” হিসেবে পালন করা হয়। এছাড়া তিনি যে স্থানে পুলিশের গুলিতে নিহত হন, তাঁর নামানুসারে সেই জিরো পয়েন্টের নামকরণ করা হয়েছে নূর হোসেন চত্বর। ১০ই নভেম্বর তাঁর মৃত্যুর কিছু সময় পূর্বে তোলা তাঁর গায়ে লেখাযুক্ত আন্দোলনরত অবস্থার ছবিটি বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের এক গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়।

শহীদ নূর হোসেন দিবস উপলক্ষে রাজধানীর নূর হোসেন চত্বরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন।

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শহীদ নূর হোসেন দিবস উপলক্ষে পৃথক বাণী দিয়েছেন।আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে আজ মঙ্গলবার (১০ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টায় রাজধানীর গুলিস্তানে শহীদ নূর হোসেন স্কয়ারে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন এবং মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। আওয়ামী লীগসহ সিপিবি, জাসদ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, কৃষক লীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এক বিবৃতিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শহীদ নূর হোসেন দিবস যথাযোগ্য মর্যাদার সঙ্গে পালনের জন্য আওয়ামী লীগের সব সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

আজ সকাল ৮টায় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমানের নেতৃত্বে বিএনপির একটি প্রতিনিধিদল নির্বাচনী চত্বরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। এর পরপরই বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল, গণফোরাম ও নূর হোসেনের পরিবার শ্রদ্ধা জানায়। তারা স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে নূর হোসেনের অবদানের কথা স্মরণ করেন।তারা বলেন, নূর হোসেন আজ সারা বিশ্বে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের প্রতীক হয়ে আছে।

 

0Shares