মেয়র আরিফ ও কি পাথর খেকোর দলে ‘ধর্মঘট সিন্ডিকেট’র একজন?

প্রকাশিত: ৮:২০ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ২৩, ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক :: পাথরখেকোদের ‘ধর্মঘট সিন্ডিকেট’ এর কবলে পুরো সিলেট। কোয়ারী খুলে দেওয়ার দাবিতে গণবিরোধী ধর্মঘট পালন করছেন পরিবহণ শ্রমিকরা। গতকাল মঙ্গলবার ভোর ৬ টা থেকে ৭২ ঘণ্টার এ ধর্মঘট শুরু হয়েছিল। আজ ধর্মঘটের ৩য় দিন চলছে।

চলমান এ ধর্মঘটের ফলে সিলেট থেকে দুর পাল্লার কোনো বাস ছেড়ে যায়নি। ছেড়ে যায়নি আন্ত:জেলা বাসগুলোও। সব মিলিয়ে ভোগান্তি পোহাচ্ছেন সিলেটের মানুষ। কিন্তু ধর্মঘটের কারণে নগরবাসীর সেবায় নিয়োজিত ‘নগর এক্সপ্রেস’।

যাত্রীদের ভোগান্তি দূর করতে নগর এক্সপ্রেস এর বাসগুলো চললেও অনেক প্রশান্তি মিলতো। কিন্তু নগর এক্সপ্রেস এর ৪৫টি বাস বন্ধ রয়েছে। এ নিয়ে নাগরিক সমাজে নানা ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

অনেকে বলছেন- তাহলে তাহলে কি মেয়র আরিফও পাথরখেকো ‘ধর্মঘট সিন্ডিকেট’র একজন? না হলে তিনি কেন বাসগুলো রাস্তায় ছাড়ছেন না। সিটি কর্পোরেশন থেকে কি শ্রমিকদের শক্তি বেশী। না সিটি কর্পোরেশন পরিবহণের কাছে জিম্মি।ভোক্তভোগীরা বলেন, পাথর কোয়ারী খুলে দেয়ার দাবিতে পরিবহণ ধর্মঘট- এটা এক ধরণের অরাজকতা। গণবিরোধী কর্মকান্ড।

পাথরখেকোরা তাদের নিজস্ব স্বার্থ হাসিলের লক্ষ্যে জনগণকে জিম্মি করে রেখেছে। অনেকেই সিটি মেয়র আরিফকেই দোষারুপ করছেন। ধর্মঘট সিন্ডিকেটদের বিরুদ্ধে অতিশীঘ্রই ব্যবস্থা নিতে হবে।অবরোধের  ফলে সাধারণ মানুষের র্দুভোগের শেষ নেই। ভোগান্তি পােহাতে হচ্ছে যার ফলে জনমনে আতঙ্ক বিরাজ করছে।এদিকে আরেক ধাক্কা পোহাতে হচ্ছে আগামী রবিবার থেকে সারা দেশে একযুগে নিম্ন মানের তেল সরবরাহের প্রতিবাদে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে পেট্রোল পাম্প মালিকরা।এতে সারাদেশসহ সিলেট নগরী অচল পড়বে সাধারণ মানূষ আরোও বিপদের সম্মুখীন হয়ে পড়বে।   তবে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর ও ‘নগর এক্সপ্রেস’ সিটি বাস মালিক গ্রুপের আহ্বায়ক মখলিছুর রহমান কামরান জানান, রাস্তায় বাস নামালে শ্রমিকরা আটকিয়ে দেয়, যাত্রী ও ড্রাইভারদের লাঞ্চিত করে। পরে আমরা বাস না চালানোর সিদ্ধান্ত নেই। এর বাইরে আর কোনো কারণ নেই বলেও জানান তিনি।

0Shares