এবার ফ্রান্সে নতুন ধরনের করোনা ভাইরাস শনাক্ত

dial dial

sylhet

প্রকাশিত: ১০:১৯ পূর্বাহ্ণ, ডিসেম্বর ২৬, ২০২০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক::বৃটেনে শনাক্ত করা রূপান্তরিত নতুন ধরনের করোনা ভাইরাস প্রথমবারের মতো ফ্রান্সে ধরা পড়েছে। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়েছে, আক্রান্ত ব্যক্তি একজন ফরাসি নাগরিক। তার বাড়ি ফ্রান্সের ট্যুরস নামের মধ্যঞ্চলীয় একটি শহরে। তিনি ১৯ শে ডিসেম্বর লন্ডন থেকে দেশে ফিরেছেন। তার মধ্যে আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ প্রকাশিত হয়নি। তার দেহে এই ভারাস শনাক্ত হওয়ার পর তিনি বর্তমানে নিজের বাড়িতে স্বেচ্ছায় আইসোলেশনে রয়েছেন। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি। ইংল্যান্ডে নতুন ধরনের করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি আবিষ্কার করার পর কমপক্ষে ৪০টি দেশ বৃটেনের সঙ্গে তাদের আকাশ, স্থল এবং জলপথে যোগাযোগ বিভিন্ন মাত্রায় কমিয়ে এনেছে বা নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।
শুরুতেই অন্য দেশগুলোর মতো বৃটেনের সঙ্গে সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছিল ফ্রান্স। তবে এতে বৃটেনে পণ্য সরবরাহ মারাত্মক সঙ্কটে পড়ে। ফলে বুধবার এই অচলাবস্থা তুলে নেয়া হয়। শর্ত দেয়া হয়, সীমান্ত দিয়ে চলাচল করার আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকেট থাকতে হবে। ওদিকে ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেয়ার আশায় কেন্টে বড়দিনেই কয়েক হাজার লরি চালক তাদের রাত কাটিয়েছেন।
ফরাসি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, সেখানে আক্রান্ত ব্যক্তিকে ২১ শে ডিসেম্বর হাসপাতালে পরীক্ষা করা হয়। সেখানেই তার শরীরে নতুন ধরনের করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়। আক্রান্ত এই ফরাসি বসবাস করেন বৃটেনে। তিনি সুস্থ ছিলেন। বিস্তারিত না জানিয়ে এতটুকু প্রকাশ করেছে মন্ত্রণালয়। ওদিকে অন্য দেশগুলোতেও এরই মধ্যে নতুন করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। শুক্রবার জাপান নিশ্চিত করেছে সেখানে ৫ জন এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তারা বৃটেন থেকে সেখানে ফিরেছেন। এর আগে এই ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে ডেনমার্ক, অস্ট্রেলিয়া ও নেদারল্যান্ডসে। গত সপ্তাহে ফ্রান্স জাতীয় পর্যায় থেকে প্রত্যাহার করে লকডাউন। কিন্তু সরকার বলেছে, এখনও সংক্রমণের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেনি। এর অর্থ হলো এখনও থিয়েটার এবং সিনেমা হল বন্ধ থাকবে। বার এবং রেস্তোরাঁও বন্ধ থাকবে। এখনও দেশজুড়ে কারফিউ বহাল আছে রাত আটটা থেকে ভোর ৬ টা পর্যন্ত। তবে বড়দিন উপলক্ষ্যে তা প্রত্যাহার করা হয়েছে। কিন্তু নতুন বর্ষবরণের সময় তা আবার বহাল করা হবে। উল্লেখ্য, ফ্রান্সে এ যাবত করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন কমপক্ষে ২৫ লাখ মানুষ। মারা গেছেন কমপক্ষে ৬২ হাজার।

0Shares