নগরে প্রায় ৪ লাখ টাকার যৌন উত্তেজক ঔষধ জব্দ

dial dial

sylhet

প্রকাশিত: ৯:৩৫ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ১০, ২০২১

ডায়ালসিলেট;:

ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর ও সিলেট সিটি করপোরেশনের যৌথ অভিযানে প্রায় ৪ লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। এছাড়া ৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে মামলা ও ১৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

রবিবার (১০ জানুয়ারি) নগরের দক্ষিন সুরমায় এ ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন সিলেট সিটি করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিট্রেট সুমন চন্দ্র দাশ। অভিযানে নগরের দক্ষিন সুরমা ক্বীন ব্রিজের পয়েন্ট থেকে রেল গেইট পর্যন্ত এলাকায় অবাদে বিজ্ঞাপন প্রচার করে অনুমোদনহীন যৌন উত্তেজক ঔষধ, দাঁত ও চুলের ঔষধ এবং বিভিন্ন ধরণের অনুমোদনহীন ভিটামিন ঔষধ জব্দ করা হয়। এসময় ভ্রাম্যমান আদালতের উপস্থিতি টের পেয়ে ভাসমান বিক্রেতারা ঔষধ ও বিজ্ঞাপন প্রচার সহযোগী যন্ত্রপাতি ফেলে পালিয়ে যান। এসময় প্রায় ৪ লাখ টাকা মূল্যের অনুমোদনবীহিন ঔষধ জব্দ করেন ভ্রাম্যমান আদালত। অভিযানে র‌্যাব-৯ এর একটি দল সহযোগিতা করে।

অভিযানের অংশ হিসেবে ক্বীন ব্রিজের পাশের ফেমাস মার্কেটের ঔষধের দোকানগুলোতে ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান পরিচালনা করেন। ড্রাগ লাইসেন্সহীন ব্যবসা পরিচালনা ও স্বাস্থ্যবিধি অমান্য করায় ৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করেন আদালত। তাদের কাছ থেকে আদায় করা হয় জরিমানার ১৭ হাজার টাকা।

এর আগে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর ফুটপাতের ভাসমান ঔষধ বিক্রেতাদের সর্তক করলেও তারা মানব স্বাস্থের জন্য ক্ষতিকারক ঔষধ বিক্রি বন্ধ করেননি। ফলে স্বাস্থ্য ঝুঁকি বিবেচনায় তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতেই এই যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

এবিষয়ে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘চটকদার বিজ্ঞাপন দেখে এসব ক্ষতিকারক ঔষধ কেউ কিনবেন না। ফুটপাতে দাঁতের চিকিৎসা সম্পূর্ণ বেআইনি। রেজির্স্টাড চিকিৎসকের পরামর্শ ও অনুমোদিত ঔষধ বিক্রয় কেন্দ্র বা ফার্মেসি ছাড়া অন্য কোনো স্থান থেকে কোনো ধরণের ঔষধ কেনা এবং সেবন করা স্বাস্থের জন্য মারাত্মক হুমকি স্বরূপ।’

তিনি বলেন, ‘ফুটপাতের এসব যৌন উত্তেজক বা ভিটামিন জাতীয় হারবাল ঔষধের মান নিয়ন্ত্রনের কোনো সুযোগ নেই। তাই এসব যারা সেবন করেন তাদের র্দীঘ মেয়াদী শারিরিক ক্ষতির আংশকা থাকে।’

ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর সিলেটের সহকারী পরিচালক শিকদার কামরুল ইসলাম জানান, ফুটপাতে দীর্ঘদিন ধরে যারা যৌন উত্তেজক ঔষধ বিক্রি করতেন, তাদেরকে সর্তক করার পরও স্বাস্থ্যের ক্ষতিকারক এসব ঔষধ বিক্রি বন্ধ করেনি। তাই এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। তিনি জানান, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর সিলেট নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় জব্দকৃত ঔষধগুলো ধ্বংস করবে।

0Shares