জাফলংয়ে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড নেতার লাশ উদ্ধার

dial dial

sylhet

প্রকাশিত: ৯:২০ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২০, ২০২১

ডায়ালসিলেট ডেস্ক:

সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলংয়ের ডাউকি নদী থেকে শফিকুর রহমান নামের স্থানীয় এক মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড নেতার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ বুধবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরের দিকে জাফলং চা-বাগান সংলগ্ন এলাকার ডাউকি নদী থেকে থানা পুলিশ সদস্যরা তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শফিকুর রহমান উপজেলার লাবু উত্তর পাড়া গ্রামের মো. ইব্রাহিম আলীর ছেলে ও বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড ২ নম্বর পশ্চিম জাফলং ইউনিয়ন শাখার সাধারণ সম্পাদক।

এ বিষয়ে শফিকুর রহমানের বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা ইব্রাহিম আলী বাদী হয়ে ১০-১২ জনকে আসামি করে গতকাল মঙ্গলবার রাতে গোয়াইনঘাট থানায় একটি মামলা দায়ের করেন, যা পরবর্তীতে হত্যা মামলা হিসেবে রুজু করা হয়। এরই প্রেক্ষিতে অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারনামীয় তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।

আটক ব্যক্তিরা হলেন- উপজেলার জাফলং চা-বাগান এলাকার কেন্দুর ছেলে স্বপন ও চাউরাখেল গ্রামের সংকর দে’র ছেলে অমূল্য দে এবং নয়াবস্তি গ্রামের করিম মিয়ার ছেলে আব্দুর নূর।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার (১৮ জানুয়ারি) রাতে শফিকুর রহমানসহ কয়েকজন শ্রমিক ডাউকি নদীর জাফলং চা-বাগান এলাকায় পাথর উত্তোলন করতে যান। এ সময় একদল দুর্বৃত্ত এসে পাথর উত্তোলনে বাধা দেয় এবং তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। দুর্বৃত্তদের হামলায় আহত হয়ে তাদের হাত থেকে বাঁচতে শফিকুর রহমানের সঙ্গে থাকা অন্য ৫ জন দৌড়ে পালিয়ে গিয়ে আত্মরক্ষা করতে পারলেও পানিতে পড়ে তলিয়ে গিয়ে নিখোঁজ হন শফিকুর। নিখোঁজের পর গোয়াইনঘাট থানার পুলিশ ও সিলেটের ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা গতকাল মঙ্গলবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত যৌথভাবে চেষ্টা চালিয়েও তার কোনো খোঁজ পাননি।

পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজন আজ বুধবার দুপুরে ডাউকি নদীতে শফিকুর রহমানের মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে গোয়াইনঘাট থানার এসআই আব্দুল মান্নান ও আবুল হোসেন ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠান।

বিষয়টি নিশ্চিত করে গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল আহাদ জানান, এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মামলার এজাহারনামীয় তিনজনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত অপর আসামিদের যত দ্রুত সম্ভব আটক করে আইনের আওতায় আনা হবে।

0Shares