দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় ১ বিলিয়ন ভ্যাকসিন সরবরাহের প্রতিশ্রুতি

dial dial

sylhet

প্রকাশিত: ১১:৫৯ পূর্বাহ্ণ, মার্চ ১৩, ২০২১

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক ::

করোনাভাইরাসের টিকা উৎপাদন ও বন্টনের পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তন এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়ন নিয়ে একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন কোয়াড নেতারা। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের চার দেশের শীর্ষ ব্যক্তিত্বদের প্রথম বৈঠকে ভবিষ্যতে বোঝাপড়া সুদৃঢ় করার জন্য ৩টি ওয়ার্কিং গ্রুপ তৈরির ঘোষণাও দেওয়া হয়। দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় করোনাভাইরাস ভ্যাকসিনের ১ বিলিয়ন ডোজ সরবরাহের প্রতিশ্রুতিও আসে সেখান থেকে।

ভারত, জাপান, অস্ট্রেলিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের জোটের নাম কোয়াড। শুক্রবার ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের চার দেশের শীর্ষ নেতারা বৈঠক করলেন অনলাইনে। আলোচনায় উঠে আসে জলবায়ু পরিবর্তন এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়নের প্রসঙ্গ। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন প্রসঙ্গে একমত হন সবাই।

বক্তব্যে মার্কিন রাষ্ট্রপতি জো বাইডেন বলেন, সকলের ভালোর জন্য ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল মুক্ত থাকা প্রয়োজন। স্থিতিশীল বৈশ্বিক বিকাশ চায় আমেরিকা। আর এর মূল শক্তি হলো ভ্যাকসিনের উৎপাদন বৃদ্ধি করা। এর জন্য কোয়াডের সকল সদস্যের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে চান তিনি।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, কোয়াডের যে উদ্দেশ্য সেটা ভারতের বসুদেব কুটুম্বকুম-অর্থাৎ সারা বিশ্বই একটি পরিবার সেই বিশ্বাসের সঙ্গে খাপ খায়। ১৮ মাস আগে দেশগুলির পররাষ্ট্র পর্যায়ের মন্ত্রীদের বৈঠকের পর এবার শীর্ষ নেতাদের বৈঠকের মাধ্যমে প্রমাণিত হয় কোয়াড ক্রমশই পরিণত হচ্ছে।

সভায় বিভিন্ন দেশকে সুলভে করোনার ভ্যাকসিন দেওয়ার বিষয়ে পার্টনারশিপ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। চার দেশই নিজের সম্পদ এতে কাজে লাগাবে। আমেরিকায় ডেভেলপ হওয়া ভ্যাকসিন তৈরি করা হবে ভারতে।

যুক্তরাষ্ট্রের ডিএফসি, জাপানের জাইকা এব জেবিআইসিও অর্থায়ন করবে। অস্ট্রেলিয়াও অর্থনৈতিক সহযোগিতা করবে। পাশাপাশি প্রশিক্ষণ ও বিভিন্ন ভারতীয় মহাসাগর ও প্যাসিফিক আইল্যান্ডে ভ্যাকসিন পৌঁছে দেবে। কোভ্যাক্স, হো, গাভি, আসিয়ানের মতো প্রতিষ্ঠান কাজ করবে ভ্যাকসিন বণ্টনের কাজে।

0Shares