স্বাধীনতা সমর্থন করায় গ্রেফতার হয়েছিলাম: মোদি

dial dial

sylhet

প্রকাশিত: ৯:২৩ অপরাহ্ণ, মার্চ ২৬, ২০২১

ডায়ালসিলেট ডেস্ক::বাংলাদেশের স্বাধীনতা সমর্থন করার কারণে গ্রেফতার হয়েছিলাম। কারাগারে গিয়েছিলাম।ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এ কথা বলেছেন।শুক্রবার (২৬ মার্চ) রাজধানীতে জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন নরেন্দ্র মোদী।হিন্দি ভাষায় দেওয়া বক্তব্যের শুরুতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি এখানে আজ এই সোনালী মুহূর্তে বক্তব্য রাখতে পেরে খুবই আনন্দিত। বঙ্গবন্ধুর প্রতি আমি সম্মান জানাই।১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে ভারত অংশ নিয়েছিল। তখন থেকেই দুই দেশ বন্ধু হিসেবে একে অপরের পাশে রয়েছে।ভবিষ্যতেও দুই দেশ বন্ধু হিসেবে এগিয়ে যাবে।
নরেন্দ্র মোদী বলেন, বঙ্গবন্ধুকে গান্ধী আন্তর্জাতিক শান্তি পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।বঙ্গবন্ধুকে এই সম্মান জানাতে পেরে ভারতবাসীও গর্বিত।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে বলেন, সালাম, বরকত, রফিক জব্বার এই আন্দোলনে প্রাণ দিয়েছিলেন। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনীর অপরেশন সার্চ লাইটের মাধ্যমে গণহত্যার কথাও স্মরণ করেন তিনি।মোদী বলেন, দুই দেশের মধ্যে সীমান্ত চুক্তির বাস্তবায়ন হয়েছে। আর করোনাকালে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছে ভারত। আগামী দিনে দুই দেশের বন্ধুত্ব আরও মজবুত হবে বলে প্রত্যাশা করেন তিনি।নরেন্দ্র মোদী বলেন, বাংলাদেশের জাতীয় দিবস, এবং স্বাধীনতার ৫০তম বার্ষিকীও। আজ ভারত-বাংলাদেশের বন্ধুত্বের পঞ্চাশ বছর পূর্ণ হচ্ছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার করছে।নরেন্দ্র মোদী বলেন, আমি মুক্তিদ্ধের সময় বাংলাদেশের ভাই-বোনদের পাশে থাকা ভারতীয় সেনাবাহিনীর সেই সাহসী সৈন্যদেরও প্রণাম জানাই, যারা মুক্তিযুদ্ধে রক্ত দিয়েছিলেন, আত্মত্যাগ করেছিলেন এবং স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করতে খুব বড় ভূমিকা রেখেছিলেন।বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে সমর্থনের কথা উল্লেখ করে নরেন্দ্র মোদী বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশ নেওয়া আমার জীবনের প্রথম আন্দোলনগুলির মধ্যে একটি ছিল। আমার বয়স তখন ২০-২২ বছর ছিল, যখন আমি ও আমার অনেক সহকর্মী বাংলাদেশের মানুষের স্বাধীনতার জন্য সত্যাগ্রহ করেছিলাম। বাংলাদেশের স্বাধীনতার সমর্থন করায় আমি গ্রেফতার হয়েছিলাম এবং কারাগারেও গিয়েছিলাম।তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য যতটা আকুলতা এখানে ছিল ততটা আকুলতা সেখানেও ছিল। এখানে পাকিস্তান সেনাবাহিনী কর্তৃক সংঘটিত জঘন্য অপরাধ ও নৃশংসতার চিত্রগুলি আমাদের বিচলিত করতো এবং রাতের পর রাত বিনিদ্র করে রাখত। একটি স্বৈরাচারী সরকার তার নিজস্ব নাগরিকদের গণহত্যা করছিল। তাদের ভাষা, তাদের কণ্ঠস্বর ও পরিচয়কে চূর্ণ করছিল। অপারেশন সার্চলাইটের নিষ্ঠুরতা, নিপীড়ন ও অত্যাচারের বিষয়টি নিয়ে বিশ্বের যতটা সোচ্চার হওয়া উচিত ছিল, তা হয়নি।

0Shares