কঠোর হচ্ছে পুলিশ, নগরে বিভিন্ন পয়েন্টে বাঁশ ফেলে যান চলাচল রোধ

dial dial

sylhet

প্রকাশিত: ৫:১৭ অপরাহ্ণ, এপ্রিল ১৯, ২০২১

ডায়ালসিলেট ডেস্ক;;

মহামারি করোনা সংক্রমন ঠেকাতে চলমান লকডাউনের ষষ্ট দিনে আরও কঠোরতা আরোপ করেছে সিলেট মহানগর পুলিশ। এজন্য নগরের অন্তত ২০টি পয়েন্টে সড়কে বাঁশ ফেলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, নগরের কেন্দ্রবিন্দু বন্দরবাজার-সিটিপয়েন্ট-কোর্ট পয়েন্টে তিনমুখী সড়কে বাঁশ দিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ। এ সময় ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা শহরগামী গাড়ি ও যাত্রীদের মুভমেন্ট পাস দেখে দেখে যাতায়াতের সুযোগ করে দেন।

একইচিত্র নগরের লামাবাজার, ক্বীনবিজ্র, হুমায়ুন চত্বর, রোজভিউ-উপশহর পয়েন্ট, শিবগঞ্জ, টিলাগড়, চৌহাট্টা, আম্বরখানাসহ বিভিন্ন পয়েন্টে লক্ষ্য করা যায়। সিলেট-সুনামঞ্জ সড়কের নগরের হাউজিং আম্বরখানা এলাকায় দর্শনদেউড়ি স্কুলের সামনে সড়কের বড় অংশতেই বাঁশ ফেলে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা হয়েছে। একইচিত্র নগরের লামাবাজার পয়েন্টেও দেখা গেছে।

লকডাউনের ষষ্ঠ দিনে সিলেট নগরের বন্দরবাজার এলাকায় বাঁশ ফেলে যানবাহনের গতিরোধ পুলিশের। 

মহানগর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ জানিয়েছে, যেহেতু গাড়ি চলাচল বেড়ে গেছে তাই শতভাগ লকডাউন কার্যকরে তাদের এমন উদ্যোগ।

এসএমপির উপকমিশনার (ট্রাফিক) ফয়সল মাহমুদ জানান, সরকার ঘোষিত লকডাউনের প্রথমদিন থেকেই ট্রাফিক বিভাগ নগরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে দায়িত্ব পালন করছে। তখন লোকজন ও গাড়ি চলাচল সীমিত ছিল। তবে গতকাল থেকে নগরে লকডাউন মানার প্রবণতা কমেছে। তাই, প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে অপ্রয়োজনে বের হওয়া সব গাড়ি ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

লকডাউনের ষষ্ঠ দিনে সিলেট নগরের শিবগঞ্জ এলাকার চিত্র। 

 

লকডাউনের কারণে নগরের শপিংমল, বিপনীবিতান যথারীতি বন্ধ রয়েছে। নিত্যপণ্যের দোকানপাট বিধিনিষেধ মেনে দিনের বেলা খোলা রাখা হচ্ছে।

তবে, সন্ধ্যার দিকে বাজারে ইফতার সামগ্রী কিনতে ক্রেতাদের ভিড় চোখে পড়ে। উপচেপড়া ভিড়ে স্বাস্থ্যবিধি মানা হয় না একেবারেই।

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী আকবর হোসেন বিষয়টি লক্ষ্য করেছেন। এই ভিড়ের মধ্যে করোনা সংক্রমণ বাড়ার সুযোগ রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এটি পুলিশ প্রশাসনের নজরে আনা উচিত। প্রয়োজনে জিলাপি-পিয়াজুর দোকান বন্ধ করে দেওয়া দরকার। অন্যথায়, লকডাউনের কার্যকর উদ্যোগ ভেস্তে যাবে।

এদিকে, লকডাউনের কারণে দূরপাল্লার বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। তবে, পণ্যবাহী ট্রাক চলাচল করতে দেখা গেছে।

সিএনজিচালিত অটোরিকশা চলাচল গত দুদিন ধরে বেড়েছে। রিকশা ও মোটরসাইকেল রাইড শেয়ারিংয়ের মাধ্যমে অনেকে গন্তব্যে যেতে দেখা গেছে।

এমন পরিস্থিতিতে আজ সোমবার সকাল থেকে পুলিশ প্রশাসন কঠোরতা আরোপ করে। এর আগে গত কয়েকদিনে অন্তত শতাধিত যানবাহন আটক ও চালকের বিরুদ্ধে মামলা করে ট্রাফিক বিভাগ।

 

0Shares