‘কিলার’ মানিক ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

dial dial

sylhet

প্রকাশিত: ৭:৫৮ পূর্বাহ্ণ, মে ২২, ২০২১

ডায়ালসিলেট ডেস্ক::জমির বিরোধকে কেন্দ্র করে রাজধানীর পল্লবীতে খুন হওয়া মো. সাহিনুদ্দীনকে হত্যা চেষ্টার অভিযোগে পল্লবী থানায় মামলা হয়েছিল এক বছর আগে। কিন্তু, শাস্তির আওতার বাইরে থেকে যায় অভিযুক্তরা। এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেরিয়েছিল তারা। তাদের দাপটে সব সময় ভয়ে থাকতেন সাহিনুদ্দীন।  শেষ পর্যন্ত সাহিনুদ্দীনকে তাদেরই হাতে খুন হতে হলো। গত বছর হত্যা চেষ্টার অভিযোগে যে মামলা সাহিনুুদ্দীনের মা আকলিমা করেছিলেন সেই মামলার অধিকাংশই হত্যা মামলারও আসামি।

র‌্যাব ও ভিকটিমের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, নিহত সাহিনুদ্দীন রাজধানীর পল্লবীর উত্তর কালশীর সিরামিক এলাকার বাসিন্দা। তার মৃত বাবা বাউনিয়া মৌজার উত্তর কালশীর বুড়িরটেকের আলীনগর আবাসিক এলাকায় ১০ একর জমি রেখে গেছেন। ওই এলাকায় আবাসন ব্যবসা রয়েছে লক্ষ্মীপুরের সাবেক সংসদ সদস্য ও তরীকত ফেডারেশনের সাবেক মহাসচিব এম এ আউয়ালের।

পরিবারের অভিযোগ, তাদের ওই ১০ একর জায়গা দখলের চেষ্টা করে আসছিলেন হ্যাভেলি প্রপার্টি ডেভেলপমেন্ট লিমিটেডের মালিক আউয়াল। সাহিনুদ্দীনকে হত্যার মামলায় গ্রেপ্তার আউয়ালের ৪ দিনের রিমাণ্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
এদিকে, র‌্যাব জানিয়েছে, সাহিনুদ্দীনের ভাড়াটে কিলার মো. মানিক (৩২) বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে মিরপুরের ইস্টার্ন হাউজিং এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযানে যায় র‌্যাব সদস্যরা। সেখানে সাহিনুদ্দীন হত্যার সঙ্গে জড়িত কয়েকজন আসামি অবস্থান করছিলেন বলে র‌্যাবের কাছে আগে থেকেই তথ্য ছিল। র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা গুলি চালাতে শুরু করে। র‌্যাব সদস্যরাও আত্মরক্ষার্থে গুলি চালান। পরে একজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে জানা যায় তার নাম মানিক। সে পল্লবীর সাহিনুদ্দীন হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত  ৫ নম্বর আসামি। বন্দুকযুদ্ধের বিষয়টি নিশ্চিত করেন র‌্যাব-৪ এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মো. মোজাম্মেল হোসেন।
এ মামলায় লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সাবেক এমপি এমএ আউয়ালের ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। গতকাল ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নিভানা খায়ের জেসির আদালত রিমান্ডের আদেশ দেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক সৈয়দ ইফতেখার হোসেন আসামিকে আদালতে হাজির করেন। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তার ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন তিনি। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

0Shares