সবাই যেন ভ্যাকসিন পায়,টিকা সবার জন্য সহজলভ্য করতে জাতিসংঘের ভূমিকা চাইলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

dial dial

sylhet

প্রকাশিত: ৪:৫৯ অপরাহ্ণ, জুন ১৯, ২০২১

ডায়ালসিলেট ডেস্ক:পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন সবাই যেন পায়, সে বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়ার জন্য জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের প্রতি অনুরোধ করেছেন। মহাসচিবকে ধন্যবাদ জানান মোমেন কোভিড ১৯ ভ্যাকসিনকে জনসাধারণের সম্পত্তি হিসেবে ঘোষণা করার জন্য।

মহাসচিবের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এ জাতিসংঘ সদর দফতরে ধন্যবাদ জানান তিনি।
জাতিসংঘ মহাসচিব বৈঠকে সাম্প্রতিক জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে ভ্যাকসিন তৈরির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সক্ষমতা সম্পর্কে উল্লেখ করেন। আরো বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে জাতিসংঘের বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে।

অ্যান্তোনিও গুতেরেসের জাতিসংঘের কার্যক্রমে বিশেষত শান্তিরক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তন ও নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশের নেতৃত্বের ভূমিকার প্রশংসা করেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন বৈঠকে দ্বিতীয় মেয়াদে পুনরায় নিয়োগের জন্য মহাসচিবকে অভিনন্দন জানান এবং তার প্রথম মেয়াদে জাতিসংঘের নেতৃত্বের প্রশংসা করেন। রোহিঙ্গা ইস্যুতে অব্যাহত মনোযোগের জন্য তাকে ধন্যবাদ জানান ড. মোমেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, প্রকাশ্যে মানবাধিকার লঙ্ঘনের পরেও অনেক প্রভাবশালী দেশ মিয়ানমারের সঙ্গে তাদের অর্থনৈতিক ও ব্যবসায়িক সম্পর্ক বাড়িয়েছে, যা হতাশাজনক। রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মানবিকতা উল্লেখ করে মহাসচিব বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানান।
মহাসচিব বলেন, মিয়ানমারের রাজনৈতিক পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় মহাসচিবের ব্যক্তিগত হস্তক্ষেপ এখন আগের চেয়ে বেশি প্রয়োজন।
তিনি বলেন, বিশ্বের বৃহত্তম শরণার্থী গোষ্ঠীকে আশ্রয় দেওয়ায় বিশ্ব বাংলাদেশের উদারতা ভুলে যাবে না।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী মহাসচিবকে বৈঠকে ভাসানচরের সুবিধাগুলি সম্পর্কেও অবহিত করেন এবং সেখানে জাতিসংঘের কার্যক্রমের গুরুত্বের উপর জোর দেন।

বাংলাদেশ এসডিজি বাস্তবায়নের পথে রয়েছে বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

এসডিজির গ্রাজুয়েশন দেশগুলোর জন্য অব্যাহত সহায়তা ব্যবস্থা গ্রহণেরও আহ্বান জানান তিনি।
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা ।শুক্রবার (১৮ জুন) জাতিসংঘের বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
সূএ:টিআরররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন সবাই যেন পায়, সে বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়ার জন্য জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের প্রতি অনুরোধ করেছেন। মহাসচিবকে ধন্যবাদ জানান মোমেন কোভিড ১৯ ভ্যাকসিনকে জনসাধারণের সম্পত্তি হিসেবে ঘোষণা করার জন্য।
মহাসচিবের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এ জাতিসংঘ সদর দফতরে ধন্যবাদ জানান তিনি।
জাতিসংঘ মহাসচিব বৈঠকে সাম্প্রতিক জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে ভ্যাকসিন তৈরির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সক্ষমতা সম্পর্কে উল্লেখ করেন। আরো বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে জাতিসংঘের বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে।

অ্যান্তোনিও গুতেরেসের জাতিসংঘের কার্যক্রমে বিশেষত শান্তিরক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তন ও নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশের নেতৃত্বের ভূমিকার প্রশংসা করেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন বৈঠকে দ্বিতীয় মেয়াদে পুনরায় নিয়োগের জন্য মহাসচিবকে অভিনন্দন জানান এবং তার প্রথম মেয়াদে জাতিসংঘের নেতৃত্বের প্রশংসা করেন। রোহিঙ্গা ইস্যুতে অব্যাহত মনোযোগের জন্য তাকে ধন্যবাদ জানান ড. মোমেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, প্রকাশ্যে মানবাধিকার লঙ্ঘনের পরেও অনেক প্রভাবশালী দেশ মিয়ানমারের সঙ্গে তাদের অর্থনৈতিক ও ব্যবসায়িক সম্পর্ক বাড়িয়েছে, যা হতাশাজনক। রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মানবিকতা উল্লেখ করে মহাসচিব বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানান।
মহাসচিব বলেন, মিয়ানমারের রাজনৈতিক পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় মহাসচিবের ব্যক্তিগত হস্তক্ষেপ এখন আগের চেয়ে বেশি প্রয়োজন।
তিনি বলেন, বিশ্বের বৃহত্তম শরণার্থী গোষ্ঠীকে আশ্রয় দেওয়ায় বিশ্ব বাংলাদেশের উদারতা ভুলে যাবে না।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী মহাসচিবকে বৈঠকে ভাসানচরের সুবিধাগুলি সম্পর্কেও অবহিত করেন এবং সেখানে জাতিসংঘের কার্যক্রমের গুরুত্বের উপর জোর দেন।

বাংলাদেশ এসডিজি বাস্তবায়নের পথে রয়েছে বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

এসডিজির গ্রাজুয়েশন দেশগুলোর জন্য অব্যাহত সহায়তা ব্যবস্থা গ্রহণেরও আহ্বান জানান তিনি।
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা ।শুক্রবার (১৮ জুন) জাতিসংঘের বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
সূএ:টিআর/S.H.T.

0Shares