গোয়াইনঘাটের মামলার আসামী দোয়ারাবাজারে গ্রেপ্তার

dial dial

sylhet

প্রকাশিত: ৫:১৩ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৫, ২০২১

ডায়ালসিলেট ডেস্ক::সিলেটের গোয়াইনঘাট থানার আলোচিত হাতকাটা মামলার প্রধান আসামী দোয়ারাবাজার থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃত আসামী হলেন সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট থানার টেকনাাগুল গ্রামের শাহ আলমের পুত্র হুমায়ুন মিয়া(৩৫)

বুধবার (১৪ জুলাই) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিত্বে দোয়ারাবাজার থানা পুলিশের সার্বিক সহযোগিতায় গোয়াইনঘাট থানার ওসি(তদন্ত)দিলীপ কান্ত নাথের নেতৃত্বে উপজেলার ১নং  বাংলাবাজার ইউনিয়নের কলাউড়া গ্রামের আব্দুর রশিদের বাড়ী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, দিলদারের বড় ভাই মাশুক আহমদ একই গ্রামের শাহ আলমের মেয়ে বেগম আক্তারকে বিয়ে করেন। বিয়ের কিছুদিন পর উভয়ের পরিবারের মধ্যে পারিবারিক বিষয় নিয়ে কলহ তৈরি হয়। কোন সমস্যা হলেই বেগম আক্তার তার পিত্রালয়ে চলে যান এবং উভয় পরিবারের মধ্যে বিরোধ বাড়তেই থাকে।

শুক্রবার (৯ জুলাই) বিকালে একই ভাবে পরিবারিক সমস্যার জেরে বেগম আক্তার তার পিত্রালয়ে চলে গেলে স্বামী মাশুক আহমদ বেগম আক্তারকে ফিরিয়ে নিয়ে আসতে যান।

পরে বেগম আক্তারের বাড়ির লোকজন ও তাদের স্বজনরা মাসুককে মারধর শুরু করেন। এমন খবর পেয়ে ছুটে যান ছোট ভাই দিলদার।

তাদের বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি জানতে চাইলে তারা দিলদারকে আগাত করতে শুরু করে। পরে উত্তেজিত হুমায়ুন মিয়া ধারালো রামদা দিয়ে দিলদারের ডান হাতে কোপ দিয়ে তার হাত দ্বিখণ্ডিত করে জঙ্গলে ফেলে দেন।

এ ঘটনায় কলেজ ছাত্র দিলদার মিয়ার মা হোসনেয়ারা বেগম বাদি হয়ে গোয়াাইনঘাট থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

যার মামলা (নং-০৭, তারিখ- ১০-০৭-২০২১ ইং)।মামলায় আসামিরা হলেন ১নং রুস্তমপুর ইউনিয়নের পিরের বাজার সংলগ্ন টেকনাাগুল গ্রামের শাহ আলমের ছেলে হুমায়ুন মিয়া (৩৫), বাদশা মিয়ার ছেলে জিয়াউর রহমান (৩০), মৃত রহমত আলীর ছেলে শাহ আলম (৫১) ও বাদশা মিয়া (৪৯), মাসুক মিয়ার স্ত্রী মোছাঃ বেগম আক্তার (২৪), বাদশাহ মিয়ার ছেলে কালা মিয়া (২৬) ও মিলন মিয়া (২৩), শাহ আলমের স্ত্রী শাকিলা বেগম।

আহত কলেজ ছাত্র দিলদার মিয়া ও তার বিচ্ছিন্ন হাত নিয়ে সাথে সাথে সিওমেকে ভর্তি করা হয়। সেখানে ভর্তি হওয়ার পর এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্লাস্টিক এন্ড রিকনস্ট্রাক্টিভ সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডা. মো. আব্দুল মান্নান আহত দিলদারের পরিবারকে সিলেট নগরীর নয়াসড়কস্থ মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে তাকে ভর্তি করার পরামর্শ দেন।

দিলদারের স্বজনরা তাকে নিয়ে মাউন্ট এডোরায় ভর্তি হন। মাউন্ট এডোরা হাসপাতালে শুক্রবার রাতেই বিচ্ছিন্ন হাতের অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করেন ডা. মো. আব্দুল মান্নান।

দোয়ারাবাজার থানার ওসি দেবদুলাল ধর সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘গ্রেপ্তারকৃত আসামীকে গোয়াইনঘাট থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ডায়ালসিলেট এম/১

0Shares