২৩০ আসনে তৃণমূল বিএনপির প্রার্থী ঘোষণা

প্রকাশিত: ১:১৭ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ৩০, ২০২৩

২৩০ আসনে তৃণমূল বিএনপির প্রার্থী ঘোষণা

ডায়াল সিলেট ডেস্ক :: আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য দলীয় প্রার্থীদের নাম প্রকাশ করেছে তৃণমূল বিএনপি। ৩০০ আসনের মধ্যে ২৩০টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে দলটি। বাকি আসনগুলোতে পরবর্তী সময়ে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হবে৷ দল ঘোষিত প্রার্থীদের মধ্যে পাঁচজন সাবেক সংসদ সদস্য রয়েছেন।

 

বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর পল্টনের তৃণমূল বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের মহাসচিব তৈমুর আলম খন্দকার দলীয় প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন৷ এ সময় দলের চেয়ারম্যান সমশের মবিন চৌধুরী ও নির্বাহী চেয়ারপারসন অন্তরা সেলিমা হুদা অনুপস্থিত ছিলেন।

 

তৃণমূল বিএনপি ঘোষিত প্রার্থী তালিকায় থাকা সাবেক সংসদ সদস্যরা হলেন মৌলভীবাজার-২ আসনে এম এম শাহীন, লক্ষ্মীপুর-১ আসনের এম এ আউয়াল, সাতক্ষীরা-৪ আসনের এইচ এম গোলাম রেজা, ঝিনাইদহ-২ আসনে নুরুদ্দিন আহমেদ, মেহেরপুর-২ আসনে আবদুল গণি।

 

দলের চেয়ারম্যান তৃণমূল বিএনপির চেয়ারপারসন সমশের মবিন চৌধুরী সিলেট-৬ (বিয়ানীবাজার-গোলাপগঞ্জ), নির্বাহী চেয়ারপারসন অন্তরা হুদা মুন্সিগঞ্জ-১, মহাসচিব তৈমুর আলম খন্দকার নারায়ণগঞ্জ–১ (রূপগঞ্জ) আসন থেকে দলের মনোনয়ন পেয়েছেন।

 

এদিকে জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে আত্মপ্রকাশ করা ‘প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক ফোরাম’ দলটির প্রার্থীরা তৃণমূল বিএনপি থেকে নির্বাচন করবেন। এর মধ্যে প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক ফোরামের চেয়ারম্যান নাজিম উদ্দিন চট্টগ্রাম-৫ আসনে এবং সাধারণ সম্পাদক আজিম উদ্দিন ফেনী-৩ আসনে তৃণমূল বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন।

 

চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) সাবেক ভিপি নাজিম উদ্দিন এবং জি এস আজিম উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন এই দলটির নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন নেই।

 

তৃণমূল বিএনপির সঙ্গে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচন করবে ‘প্রগতিশীল ইসলামী জোট’ নামে একটি রাজনৈতিক মোর্চা। ১৫–দলীয় এই জোটের আহ্বায়ক সাবেক সংসদ সদস্য এম এ আউয়াল লক্ষ্মীপুর-১ আসনে এবং সদস্যসচিব নুরুল ইসলাম খান ময়মনসিংহ-২ আসন থেকে তৃণমূল বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন।

 

গাজীপুর-১ আসনে তৃণমূল বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন বিএনপি নেতা চৌধুরী তানভীর আহমেদ সিদ্দিকীর ছেলে চৌধুরী ইরাদ আহমেদ সিদ্দিকী। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আলোচিত সংসদ সদস্য প্রয়াত উকিল আবদুস সাত্তারের ছেলে মাইনুল হাসান তৃণমূল বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসন থেকে।

 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আসন গোপালগঞ্জ-৩-এ কোনো প্রার্থী ঘোষণা করেনি তৃণমূল বিএনপি। এ বিষয়ে তৈমুর আলম বলেন, ‘গোপালগঞ্জ-৩ আসনে একজন প্রার্থী ছিলেন কিন্তু তাঁর ব্যাংকঋণ রয়েছে। আমরা বিকল্প প্রার্থী খুঁজছি।’

 

তৃণমূল বিএনপির প্রার্থী তালিকায় বেশ কিছু আসনেই একাধিক প্রার্থী রয়েছে। এ বিষয়ে তৈমুর আলম খন্দকার বলেন, ঠুনকো কারণে অনেকের প্রার্থিতা বাতিল হয়ে যায়। মনোনয়ন ফরম জমা ও প্রত্যাহারের মধ্যে বেশ কিছুটা সময় পাওয়া যায়। এর মধ্যে এলাকায় যাঁদের জনপ্রিয়তা বেশি থাকবে, তাঁদের দলীয় প্রতীক দেওয়া হবে।

 

দলের প্রার্থী নির্বাচনে মধ্যবিত্ত ও জনগণের সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে, এমন ব্যক্তিদের গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে জানিয়ে তৃণমূল বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘বড়লোকের আড্ডাখানা হয়ে গেছে সংসদ। আমরা এই ধারা ভাঙতে চাই। সমাজের উঁচুতলার লোকদের মনোনয়ন সেভাবে দিইনি।’

 

নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার যৌক্তিকতা তুলে ধরে তৈমুর আলম বলেন, ‘২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হয়নি। কিন্তু সরকার গঠন তো ঠেকানো যায়নি। এবারও কেন সরকারকে ব্ল্যাংক চেক দেব? তাদের ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে পাস করতে দেব না।’

 

তৃণমূল বিএনপির প্রার্থীদের তালিকা

 

ঢাকা বিভাগ : ঢাকা-১ মফিদ খান, ঢাকা-২ সালাম মাহমুদ, ঢাকা-৩ মো. ইমান আলী ইমন, ঢাকা-৪ ড. খন্দকার এমদাদুল হক ও রফিকুল ইসলাম, ঢাকা-৫ আব্দুল হামিদ হৃদয়, ঢাকা-৬ এসএম আনোয়ার হোসেন অপু, কাজী সিরাজুল ইসলাম ও মো. জহিরুল ইসলাম, ঢাকা-৭ সৈয়দা নুরুন নাহার, ঢাকা-৮ এমএ ইউসূফ ও আশরাফ আলী হাওলাদার, ঢাকা-৯ রুবিনা আক্তার রুবি ও কামাল হোসেন, ঢাকা-১০ শাহানুর রহমান, ঢাকা-১১ শেখ মোস্তাফিজুর রহমান, ঢাকা-১২ নাঈম হাসান, ঢাকা-১৩ এসএম আরশেদ, ঢাকা-১৪ নাজমুল ইসলাম, ঢাকা-১৫ অধ্যাপক এনায়েতুল ইসলাম, ঢাকা-১৬ আব্দুর রহিম, ঢাকা-১৭ শফিউল বাশার, ঢাকা-১৮ ডা. সিরাজুল ইসলাম ও মফিজুর রহমান, ঢাকা-১৯ মাহবুবুল আলম, ঢাকা-২০ অধ্যক্ষ আব্দুল হাদী।

 

টাঙ্গাইল-১ জাকির হোসেন, টাঙ্গাইল-২ মাহাবুবুর রহমান খান, টাঙ্গাইল-৩ ইউজিন নকরেক, টাঙ্গাইল-৪ শহিদুল ইসলাম, টাঙ্গাইল-৫ শরীফুজ্জামান খান, টাঙ্গাইল-৬ একে রাজ্জাক শাহজাদা, টাঙ্গাইল-৭ আব্দুর রহিম মিয়া, টাঙ্গাইল-৮ পারুল।

 

কিশোরগঞ্জ-২ আহসান উল্লাহ, কিশোরগঞ্জ-৫ সোহরাব হোসেন, মানিকগঞ্জ-১ ইঞ্জিনিয়ার শেখ শাহিন রহমান, মানিকগঞ্জ-২ জসিম উদ্দীন, মানিকগঞ্জ-৩ মোয়াজ্জেম হোসেন খান মজলিশ, মুন্সিগঞ্জ-১ অ্যাড. অন্তরা সেলিমা হুদা, মুন্সিগঞ্জ-২ জাহানুর রহমান সওদাগর, মুন্সিগঞ্জ-৩ আরাফাত আসওয়াদ ইসলাম।

 

গাজীপুর-১ চৌধুরী ইরাজ আহমেদ সিদ্দিকী ও আব্দুল জাব্বার সরকার, গাজীপুর-২ ফয়সাল আহমেদ, নরসিংদী-১ আল মামুন, নরসিংদী-৩ সুশান্ত শর্মা, নরসিংদী-৪ দেলোয়ার হোসেন, নরসিংদী-৫ জাকির হোসেন ভূইয়া। নারায়ণগঞ্জ-১ তৈমূর আলম খন্দকার, নারায়ণগঞ্জ-২ কে এম আবু হানিফ হৃদয়, নারায়ণগঞ্জ-৩ মো. চান মিয়া ও আফরোজা বেগম হ্যাপি, নারায়ণগঞ্জ-৪ অ্যাড. আলী হোসেন, নারায়ণগঞ্জ-৫ অ্যাড. আব্দুল হামিদ ভাসানী ভূঁইয়া। রাজবাড়ী-১ সুলতান ও প্রকৌশলী ডিএম মজিবর রহমান, রাজবাড়ী-২ এসএম ফজলুল হক। ফরিদপুর-১ কামরুল ইসলাম, ফরিদপুর-৪ প্রিন্স চৌধুরী। গোপালগঞ্জ-১ জাহিদুল ইসলাম, গোপালগঞ্জ-২ জামাল উদ্দিন শেখ, মাদারীপুর-৩ শ্রী প্রবীন হালদার, শরীয়তপুর-১ আবুল বাশার মাদবর।

 

চট্টগ্রাম বিভাগ : ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া-১ মাইনুল হাসান, ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া-৫ মুফতি হাবিবুর রহমান। কুমিল্লা-১ মহসিন আলম ভূইয়া ও সুলতান জিসান উদ্দিন, কুমিল্লা-২ মাইন উদ্দিন, কুমিল্লা-৪ অ্যাড. মাহবুবুল আলম, কুমিল্লা-৫ মো. হোসেন, কুমিল্লা- জয় ভৌমিক ও ডা. নাছিমা সুলতানা হ্যাপী, কুমিল্লা-৭ সজল কুমার কর, কুমিল্লা-১০ জামাল উদ্দিন। চাঁদপুর-২ কবির হোসেন ও শাজাহান, চাঁদপুর-৪ মমতাজ উদ্দিন মন্টু, মো. সেলিম ও আবদুল কাদের তালুকদার, চাঁদপুর-৫ টিপু মজুমদার।

 

ফেনী-১ অধ্যাপক মো. শাজাহান সাজু, ফেনী-২ আইম আমজাদ হোসেন ভূইয়া। নোয়াখালী-১ সৈয়দ আহমদ ও নাসির হোসেন, নোয়াখালী-২ দেলু মিয়া, নোয়াখালী-৪ মোজাককের বারী, নোয়াখালী-৫ কামাল উদ্দিন, নোয়াখালী-৬ নাছিম মো. বায়জীদ। লক্ষ্মীপুর-১ এম এ আউয়াল, লক্ষ্মীপুর-২ লুৎফুল্লাহিল করিম চৌধুরী ও আব্দুল্লাহ আল মাসুদ।

 

চট্টগ্রাম-২ ডা. মোহাম্মদ জানে আলম, চট্টগ্রাম-৩ নাঈম হাসান, চট্টগ্রাম- খোকন চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৫ নাজিম উদ্দিন ও মাসুদুল আলম, চট্টগ্রাম-৬ ফয়জুল্লাহ ও ইয়াহিয়া জিয়া চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৭ খোরশেদ আলম, চট্টগ্রাম-৮ সন্তোষ শর্মা, চট্টগ্রাম-৯ সুজীত সরকার, চট্টগ্রাম-১০ ফেরদাউস বশীর, চট্টগ্রাম-১১ দীপক কুমার পালিত, চট্টগ্রাম-১২ রাজীব চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১৩ মকবুল আহম্মেদ চৌধুরী সাদাদ, চট্টগ্রাম-১৪ রাজীব দাস, চট্টগ্রাম-১৫ মোস্তাক আহম্মেদ সবুজ, চট্টগ্রাম-১৬ ওসমান গনী ও মমতাজুর হক চৌধুরী।

 

কক্সবাজার-১ মুহাম্মদ আলী আকবর, কক্সবাজার-২ আকবর খান, কক্সবাজার-৩ অধ্যক্ষ ড. মুহাম্মদ সানাউল্লাহ, কক্সবাজার-৪ মুজিবুর হক মুজিব। পার্বত্য খাগড়াছড়ি- উশ্যেপ্রু মারমা ও চিত্র বিকাশ চাকমা, পার্বত্য রাঙ্গামাটি- শাহ হাফেজ মো. মিজানুর রহমান।

 

রাজশাহী বিভাগ : জয়পুরহাট-১ মো. মাসুম। বগুড়া-১ আব্দুল মান্নান ও এনএম আবু জিহাদ, বগুড়া-২ মো. বজলুর রহমান, বগুড়া-৩ আব্দুল মোত্তালেব, বগুড়া-৪ জালাল উদ্দিন ও আব্দুল ওহাব, বগুড়া-৫ মাহবুব আলী, বগুড়া-৬ মাওলানা মো. নজরুল ইসলাম ও ছালেহীন ইসলাম সাজ্জাদ, বগুড়া-৭ এনামুল হক।

 

চাপাইনবাবগঞ্জ-১ মুজিবুর রহমান। নওগাঁ-৩ সোহেল কবীর চৌধুরী, নওগাঁ-৬ পিকে আবদুর রব। রাজশাহী-১ জামাল খান, রাজশাহী-২ এসএম আরমান পারভেজ। নাটোর-১ ইমরান আলী, নাটোর-২ মজনু মিয়া, নাটোর-৩ আবুল কালাম আজাদ, নাটোর-৪ আব্দুল খালেক সরকার। সিরাজগঞ্জ-২ মোস্তাফিজুর রহমান ও সোহেল রানা, সিরাজগঞ্জ-৩ নাদিমুল ইসলাম মাহমুদ, সিরাজগঞ্জ-৪ ওমর ফারুক, সিরাজগঞ্জ-৫ মহসিন আলম, সিরাজগঞ্জ-৬ তারেকুল ইসলাম। পাবনা-১ জয়নাল আবেদীন, পাবনা-আবুল কালাম আজাদ, পাবনা-৩ ওয়াসিম সরকার।

 

বরিশাল বিভাগ : বরগুনা-১ ইউনুছ সোহাগ, বরগুনা-২ কামরুজ্জামান লিটন, পটুয়াখালী-১ নুর আলম, পটুয়াখালী-২ কায়েস মাহমুদ, পটুয়াখালী-৩ ওবায়েদুল ইসলাম ও সোহাগ, পটুয়াখালী-৪ দলিল উদ্দিন, ভোলা-১ ইকবাল হোসেন, ভোলা-৩ আ্যাডভোকেট আরিফ উদ্দিন আহমেদ, ভোলা-৪ মো হানিফ, বরিশাল-২ শাহজাহান সিরাজ, বরিশাল-৩ শাহানাজ হোসেন, বরিশাল-৪ এনামুল হক, বরিশাল-৫ ফারুক আলম তালুকদার, বরিশাল-৬ টি এম জহিরুল হক তুহিন, ঝালকাঠি-১ জসিম উদ্দিন তালুকদার, পিরোজপুর-১ ইয়ার উদ্দিন রিপন, পিরোজপুর-৩ সিদ্দিকুর রহমান।

 

সিলেট বিভাগ : সুনামগঞ্জ-১ মাওলানা আশরাফ আল মাদানী ও রফিকুল ইসলাম চৌধুরী, সুনামগঞ্জ-৩ শাহীনুর পাশা চৌধুরী, সুনামগঞ্জ-৫ আবু সালেহ, সিলেট-১ হাফিজ মো রইছ উদ্দিন, সিলেট-২ ড. এ এম খান, সিলেট-৩ আমিনুল ইসলাম ডেনী, সিলেট-৪ মো আবুল হোসেন, সিলেট-৫ কায়সার আহমেদ কাউসার ও কুতুব উদ্দিন আহমেদ শিকদার, সিলেট-৬ শমশের মুবিন চৌধুরী, মৌলভীবাজার-১ আনোয়ার হোসেন, মৌলভীবাজার-২ এস এম শাহীন, মৌলভীবাজার-৩ মিছবাহ উদ্দিন, মৌলভীবাজার-৪ কবির আহমেদ বাবর, হবিগঞ্জ-১ মইনুর রশীদ চৌধুরী, হবিগঞ্জ-২ অ্যাড খায়রুল আলম ও ছাদিকুর মিয়া তালুকদার।

 

এ ছাড়া জামালপুর-১ গোলাম মোস্তফা, জামালপুর-২ রফিকুল ইসলাম খান, জামালপুর-৪ সাইফুল ইসলাম টুকন ও মামুনুর রশিদ, শেরপুর-১ ফারুক হোসেন ও জিয়াউল হক, শেরপুর-২ জায়েদুর রশীদ, ময়মনসিংহ-১ মার্শেল মালেশ চিরান, ময়মনসিংহ-৩ শ্রী দীপক চন্দ্র গুপ্ত ও আনিছুর রহমান, ময়মনসিংহ-৫ আবদুস সবুর, ময়মনসিংহ-৭ ড. আব্দুল মালেক ফরাজী, ময়মনসিংহ-৯ আবু যুনাইদ বিল্লাল, ময়মনসিংহ-১০ মাহফুজা বেগম ও নূরুল ইসলাম খান, ময়মনসিংহ-১১ মো নাসির উদ্দিন, নেত্রকোণা-৩ মিজানুর রহমান খান, নেত্রকোণা-৪ আল মামুন, নেত্রকোণা-৫ আব্দুল ওহাব হামিনী।

পঞ্চগড়-২ আব্দুল আজিজ, ঠাকুরগাঁও-১ আমিরুল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও-২ অ্যাড. আফাজুল হক ও মোজাফফর হোসেন, দিনাজপুর-১ মশিউর রহমান, দিনাজপুর-৩ এ্যাড মো মনজুরুল হক, দিনাজপুর-৬ মোফাজ্জল হোসেন, নীলফামারী-১ অ্যাড এন কে আলম চৌধুরী, নীলফামারী-৩ খলিলুর রহমান, নীলফামারী-৪ মোকলেছুর রহমান (মাহারুক খান), ড. আব্দুল্লাহ আল নাসের ও ছাদিকুর মিয়া তালুকদার, লালমনিরহাট-১ আবদুল আলীম, লালমনিরহাট-২ সিরিন তাবাসসুম রায়হান মসতাজীর তামান্না, লালমনিরহাট-৩ শামীম আহমেদ চৌধুরী, রংপুর-১ মো বদরুদ্দোজা চৌধুরী, রংপুর-৫ খালেদা খানম, রংপুর-৬ ইকবাল হোসেন, কুড়িগ্রাম-১ আশরাফ উদ্দিন মোড়ল, কুড়িগ্রাম-৩ আব্দুল বাতেন, কুড়িগ্রাম-৪ আতিকুর রহমান খান, গাইবান্ধা-১ তাজুল ইসলাম, গাইবান্ধা-৩ রেজাউল ইসলাম, গাইবান্ধা-৪ ওবায়দুল হক সরকার, মেহেরপুর-২ আব্দুল গনি, কুষ্টিয়া-১ আনিছুর রহমান, কুষ্টিয়া-২ মো বাদশা আলম, কুষ্টিয়া-৩ শেখ মতিয়ার রহমান ও আবু শামসের মো. খালেকুজ্জামান, চুয়াডাঙ্গা-১ তাইজুল হক তাজু, ঝিনাইদহ-১ কে এ জাহাঙ্গীর মাজমাদার, ঝিনাইদহ-২ অ্যাড. জামিরুল ইসলাম জেয়ারদার, ঝিনাইদহ-৩ মো আনোয়ার হোসেন খান, ঝিনাইদহ-৪ নূরউদ্দীন আহমেদ ও অ্যাড. আশানুর রহমান।

 

যশোর-১ মিজানুর রহমান, যশোর-২ শেখ ফরিদ উদ্দিন, যশোর-৩ মো কামরুজ্জামান, যশোর-৪ লে. ক. সাব্বির আহমেদ, যশোর-৫ মেজর অব. আবু নসর মো. মোস্তফা, মাগুরা-১ শ্রী সঞ্জয় রায় রনী, মাগুরা-২ অধ্যক্ষ মো. আখিদুল ইসলাম, নড়াইল-১ শ্যামল চৌধুরী, বাগেরহাট-১ মো মাহফুজুর রহমান, বাগেরহাট-২ মরিয়ম সুলতানা, বাগেরহাট-৩ ম্যানুয়েল সরকার, বাগেরহাট-৪ লুৎফুন নাহার রিক্তা, খুলনা-১ অ্যাড. গোবিন্দ চন্দ্র প্রমাণিক, খুলনা-৩ জুলিয়া আক্তার রিনী, খুলনা-৪ ডা. হাবিবুর রহমান, খুলনা-৬ নাদির উদ্দিন খান, সাতক্ষীরা-১ সুমী ইসলাম, সাতক্ষীরা-২ মোস্তফা ফারহান মেহেদী, সাতক্ষীরা-৩ রুবেল হোসেন, সাতক্ষীরা-৪ আসলাম আল মেহেদী ও এইচ এম গোলাম রেজা।

 

0Shares