ওসমানী হাসপাতালের যে সমস্যা চিহ্নিত করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত: ৯:২৫ অপরাহ্ণ, মার্চ ৭, ২০২৪

ওসমানী হাসপাতালের যে সমস্যা চিহ্নিত করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সারাদেশে গ্রামে-গঞ্জে ভুয়া চিকিৎসক ও অবৈধ চিকিৎসা বন্ধে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের তদারকি করে প্রতিবেদন দেয়ার আহবান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন।

 

বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) সকালে এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

 

এসময় মন্ত্রী বলেন, ওসমানী মেডিকেল আমি আগেও এসেছি। তবে আজকে আসছি অন্য একটি দায়িত্ব নিয়ে। যা দেখলাম তাতে সমস্ত হাসপাতালগুলোর যে অবস্থা একই অবস্থা এখানেও। মেঝেতে রোগী। আমি যেটা সমস্যা চিহ্নিত করতে পেরেছি। আমাদের এখানে জনবল অভাব। উপজেলাগুলোতে আমরা যদি ঠিকমত চিকিৎসা সেবা দিতে পারি তাহলে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলোতে রোগীরা মেঝেতে শুয়ে থাকবে না। এই সমস্যা একদিনে সমাধান করা সম্ভব হবে না। আমি চেষ্টা পর্যায়ক্রমে সমস্যাগুলো সমাধান করতে।

 

অবৈধ হাসপাতাল বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এটা তো শুধু আমাদের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব না। যে সমস্থ গ্রামে গঞ্জে যারা স্থানীয় সংসদ সদস্য ও চেয়ারম্যান তাদের বিরটা ভূমিকা আছে। তারা যদি এসমস্থ জায়গা পরিদর্শন করেন এবং সমস্যা চিহ্নিত করে আমাদেরকে প্রতিবেদন দেন তাহলে ব্যবস্থা নেবো।

 

এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন- হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. মাহবুবুর রহমান ভূঁইয়া, বিএমএ’র মহাসচিব ডা. ইহতেশামুল হক চৌধুরীসহ স্বাস্থ্য বিভাগের শীর্ষ কর্মকর্তারা।

 

এর আগে তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড, বহিঃবিভাগ ঘুরে দেখেন মন্ত্রী। কথা বলেন সেবা নিতে আসাদের সাথে। এছাড়া হাসপাতালের নানা সঙ্কট নিয়েও কর্মকর্তাদের সাথেও কথা বলেন তিনি।

সারাদেশে গ্রামে-গঞ্জে ভুয়া চিকিৎসক ও অবৈধ চিকিৎসা বন্ধে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের তদারকি করে প্রতিবেদন দেয়ার আহবান জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন।

 

বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) সকালে এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

 

এসময় মন্ত্রী বলেন, ওসমানী মেডিকেল আমি আগেও এসেছি। তবে আজকে আসছি অন্য একটি দায়িত্ব নিয়ে। যা দেখলাম তাতে সমস্ত হাসপাতালগুলোর যে অবস্থা একই অবস্থা এখানেও। মেঝেতে রোগী। আমি যেটা সমস্যা চিহ্নিত করতে পেরেছি। আমাদের এখানে জনবল অভাব। উপজেলাগুলোতে আমরা যদি ঠিকমত চিকিৎসা সেবা দিতে পারি তাহলে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলোতে রোগীরা মেঝেতে শুয়ে থাকবে না। এই সমস্যা একদিনে সমাধান করা সম্ভব হবে না। আমি চেষ্টা পর্যায়ক্রমে সমস্যাগুলো সমাধান করতে।

 

 

অবৈধ হাসপাতাল বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এটা তো শুধু আমাদের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব না। যে সমস্থ গ্রামে গঞ্জে যারা স্থানীয় সংসদ সদস্য ও চেয়ারম্যান তাদের বিরটা ভূমিকা আছে। তারা যদি এসমস্থ জায়গা পরিদর্শন করেন এবং সমস্যা চিহ্নিত করে আমাদেরকে প্রতিবেদন দেন তাহলে ব্যবস্থা নেবো।

 

 

এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন- হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. মাহবুবুর রহমান ভূঁইয়া, বিএমএ’র মহাসচিব ডা. ইহতেশামুল হক চৌধুরীসহ স্বাস্থ্য বিভাগের শীর্ষ কর্মকর্তারা।

 

 

এর আগে তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড, বহিঃবিভাগ ঘুরে দেখেন মন্ত্রী। কথা বলেন সেবা নিতে আসাদের সাথে। এছাড়া হাসপাতালের নানা সঙ্কট নিয়েও কর্মকর্তাদের সাথেও কথা বলেন তিনি।

 

0Shares

এ সংক্রান্ত আরও সংবাদ