১১ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

বাংলাদেশ ব্যাংকের পোষাক নিয়ে  সেই নির্দেশনা প্রত্যাহার

ডায়াল সিলেট ডেকস

বাংলাদেশ ব্যাংকে পেশাদার কর্মকর্তাদের মার্জিত পোশাক পরিধান বিষয়ে অভ্যন্তরীণভাবে দেওয়া পরামর্শ স্থগিত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান জানায়, এ বিষয়ে কোনও নীতিগত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়নি এবং কোনও অফিসিয়াল সার্কুলারও জারি হয়নি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন বিভাগে অনুষ্ঠিত সভায় সামাজিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় পেশাগত পরিবেশ বজায় রাখতে কর্মকর্তাদের মার্জিত পোশাক পরার পরামর্শ দেওয়ার বিষয়টি আলোচনায় আসে। তবে বিষয়টি শুধু বিভাগীয় পর্যায়ে সীমাবদ্ধ ছিল এবং কেন্দ্রীয়ভাবে এ নিয়ে কোনও নীতিগত নির্দেশনা দেওয়া হয়নি বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, “বিষয়টি মিডিয়ার মাধ্যমে বিদেশে অবস্থানরত গভর্নর মহোদয়ের নজরে এলে তিনি তাতে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তার নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি এ মুহূর্তে সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাহার করা হয়েছে।”

বাংলাদেশ ব্যাংকের এই সিদ্ধান্তে সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাংকিং খাতের ভেতরে ও বাইরে নানা আলোচনা-সমালোচনার অবসান হলো বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এরআগে সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগ-২ থেকে জারি করা এক নির্দেশনায় তাদের কর্মকর্তা–কর্মচারীদের জন্য নতুন পোশাক নীতিমালা জারি করে। এতে নারী কর্মীদের ক্ষেত্রে ছোট হাতা ও ছোট দৈর্ঘ্যের পোশাক এবং লেগিংস পরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পুরুষদের জন্যও নির্ধারণ করা হয়েছে নির্দিষ্ট পোশাকবিধি।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সব কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে পেশাদার ও শালীন পোশাক পরিধান করতে হবে। নারী কর্মীদের জন্য শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ, ওড়না ও অন্যান্য মার্জিত পোশাক পরার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সঙ্গে নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে সাদামাটা রঙের হিজাব বা হেডস্কার্ফ এবং ফরমাল স্যান্ডেল বা জুতা পরিধানের নির্দেশনা। শর্ট স্লিভ (ছোট হাতা) ও ছোট দৈর্ঘ্যের ড্রেস এবং লেগিংস পরিহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

পুরুষ কর্মীদের জন্য নির্ধারিত পোশাকের মধ্যে রয়েছে—ফরমাল শার্ট (লম্বা বা হাফ হাতা), ফরমাল প্যান্ট এবং ফরমাল জুতা। নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রয়েছে জিন্স ও গ্যাবার্ডিন প্যান্ট।