১৮ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ধর্ম

ইসলামী শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে বারাকা ইলামিক সেন্টার : কাইয়ুম চৌধুরী

ইসলামী শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে বারাকা ইলামিক সেন্টার : কাইয়ুম চৌধুরী

 

 

 

ডায়ালসিলেট ডেস্ক :: সিলেটে ইসলামী শিক্ষা ও সংস্কৃতির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে বারাকা ইলামিক সেন্টার। শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক মানের কারিকুলামে লেখাপড়ার মাধ্যমে নিজেদের মানস গঠনে যেমন গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে তেমনি তাদের অনুপ্রানিত করতে যা প্রয়োজন বারাকা ইসলামিক সেন্টার তাই করছে বলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী একথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, তাদের এই অবদান সিলেটবাসী সবসময় শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। শিক্ষার্থীদের কল্যাণে সমাজের প্রতিটি সামর্থ্যবান মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সিলেটের অতীত ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনা সম্ভব।

বারাকার অবদানের জন্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা এবং পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার ব্যাপারে অভিভাবকদের সচেতন ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। বিশেষ করে নিজের বাসা-বাড়ি ও আঙিনা পরিস্কার রাখতে শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত ও উদ্বুদ্ধ করার উপর বিশেষ জোর দেন সিসিক প্রশাসক।

তিনি সোমবার (১৬ মার্চ) সিলেটের পাঠানটুলায় বারাকা ইসলামিক সেন্টার আয়োজিত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা, সনদ প্রদান এবং ইসলামিক কুইজ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বারাকা ইসলামিক সেন্টারের ফাউন্ডার ও বারাকা গ্রুপের চেয়ারম্যান জননেতা ফয়সাল আহমেদ চৌধুরী। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন সৌদি রাজকীয় দূতাবাসের দায়ী এবং হাজি কুদরত উল্লাহ জামে মসজিদেও পেশ ইমাম ও খতিব শাইখ সাঈদ বিন নুরুজ্জামান আল মাদানি।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বারাকা ইসলামিক সেন্টার পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ফাহিম আহমেদ চৌধুরী, সহ-সভাপতি আব্দুল্লাহ এ মাসুম, প্রতিষ্ঠানের দুই বিভাগের প্রধান শিক্ষক মাওলানা আব্দুল্লাহ জাফর ও হাফিজ শাহ আলমসহ অন্যান্য আসাতিজায়ে কিরাম এবং অভিভাবকবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে হিফজ সম্পন্নকারী ৩ জন হাফিজকে পাগড়ি ও সম্মাননা প্রদান করা হয়। পাশাপাশি সহীহ কোরআন শিক্ষা ও বেসিক ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ থেকে উত্তীর্ণ ৫৪ জন শিক্ষার্থীকে সার্টিফিকেট ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

এছাড়াও মাহে রমজান উপলক্ষে আয়োজিত ইসলামিক কুইজ প্রতিযোগিতায় ৩ শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। দুটি বিভাগে বিজয়ী ৬ জন শিক্ষার্থীকে আর্থিক পুরস্কার প্রদান করা হয় এবং প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী সকল শিক্ষার্থীকে সম্মাননা সার্টিফিকেট দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠান শেষে দেশ, জাতি ও উম্মাহর কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া পরিচালনা করা হয়।