থানা সূত্রে জানা যায়, এসব গাড়ি মামলা জটিলতায় দীর্ঘদিন ধরে অযত্ন, অবহেলা ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে পড়ে থেকে হারিয়ে ফেলছে চলাচলের ক্ষমতা। চুরি, সড়ক দুর্ঘটনা, চোরাই পণ্য, মাদকদ্রব্য বহনসহ বিভিন্ন অভিযোগে মোটরসাইকেল, প্রাইভেট কার, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, মাইক্রোবাস ইত্যাদি জব্দ করে পুলিশ।
জব্দ করার পর মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এসব যানবাহন অযত্নে পড়ে থাকে থানা চত্বরে। একপর্যায়ে এগুলো ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। গাড়ি ছাড়িয়ে নিতে মালিকের না আসা, আদালতের নির্দেশনা ছাড়া এসব যানবাহন নিলামে বিক্রি করতে না পারাসহ থানায় জব্দ যানবাহনগুলো মূলত এসব কারণেই নষ্ট হচ্ছে।
স্থানীয়রা সময় কুলাউড়াকে জানান, বছরের পর বছর রোদবৃষ্টিতে পড়ে থাকা এ সকল যানবাহন জং ধরে নষ্ট হচ্ছে। থানায় পড়ে থাকা এসব যানবাহন নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করলে অনেকেই এগুলো কিনতে পারবে।
কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুছ ছালেক সময় কুলাউড়াকে বলেন, মামলা নিষ্পত্তি না হলে গাড়িগুলো মালিকদের দেওয়া যাচ্ছে না। যার কারণে এভাবেই পড়ে থেকে একসময় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
মৌলভীবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার সময় কুলাউড়াকে বলেন, থানায় পড়ে থাকা গাড়িগুলো মামলার আলামত। আদালতের নির্দেশে এসব গাড়ির নিষ্পত্তি করা হয়।
তিনি বলেন, জব্দকৃত যানবাহনগুলো থানায় দীর্ঘদিন পড়ে থাকায় আমাদের বেগ পেতে হয়। যদি বিজ্ঞ আদালত মামলাগুলো নিষ্পত্তি করেন তাহলে আমরা এসব আলামত দ্রুত নিষ্পত্তি করতে পারব।
