২৬শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ঘরের মাঠেও প্রথম ম্যাচেই চট্টগ্রামের হোঁচট

মালিকের ব্যাটে চড়ে খুলনাকে হারাল রংপুর

স্পোর্টস ডেস্ক :: ঢাকা পর্বের প্রথম অংশ শেষে বিপিএল এখন চট্টগ্রামে। তবে নিজেদের দর্শকদের সামনে প্রথম ম্যাচে বিশেষ কিছু করে দেখাতে পারল না চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। পাহাড়সম লক্ষ্যতাড়ায় নেমে শুরুতে একটু লড়াই করলেও ধীরে ধীরে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় শুভাগত হোমের দল। শেষদিকে জিয়াউর রহমান ও আফিফ হোসেন কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও ম্যাচ জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল না।
জহুর আহমেদ চৌধুরি স্টেডিয়ামে শুক্রবার চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সকে ২৬ রানে হারিয়েছে ফরচুন বরিশাল। এই জয়ে তিন ম্যাচে চার পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় অবস্থানে আছে বরিশাল। সমান ম্যাচ খেলে দুই পয়েন্ট নিয়ে পাঁচে চট্টগ্রাম।
বরিশালের দেওয়া ২০২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালোই শুরু করেছিল চট্টগ্রাম। দলীয় ৪৮ রানে উসমান খানের বিদায়ের পরই আসে ছন্দপতন। ৩৬ রানে উসমানকে ফেরান কামরুল ইসলাম রাব্বি। বুদ্ধিদীপ্ত বোলিংয়ে ম্যাক্স ও’দাউদকে ফেরান সাকিব আল হাসান।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে মেহেদী হাসান মিরাজ এবং এনামুল বিজয়ের ব্যাটে উড়ন্ত সূচনা পায় বরিশাল। মিডল ওভারে দলের হাল ধরেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ এবং ইব্রাহিম জাদরান। শেষ দিকে পাকিস্তানি ক্রিকেটার ইফতিখার আহমেদের ঝোড়ো অর্ধ-শতকে বরিশালের স্কোর ছাড়ায় দুইশ। পাকিস্তানি ব্যাটার ইফতিখার অপরাজিত থাকেন ২৬ বলে ৫৭ রানের ইনিংস খেলে।
ইনিংস বড় করতে পারেননি উন্মুক্ত চাঁদ। ফিরেছেন ১৬ রান করে। পরবর্তীতে আফিফ হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে জুটি গড়েন জিয়াউর রহমান। ২৮ রান করে আফিফ ফিরলেও অবিচল ছিলেন জিয়া।
চট্টগ্রামের হয়ে হার্ডহিটার এই ব্যাটার একাই লড়েছেন। শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকে করেছেন ৪৭ রান। অধিনায়ক শুভাগত হোম করেন ৬ বলে ১০ রান।

মালিকের ব্যাটে চড়ে খুলনাকে হারাল রংপুর

শুক্রবার চট্টগ্রামের সাগরিকায় দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে খুলনা টাইগার্সকে ৪ উইকেটের ব্যবধানে পরাজিত করেছে রংপুর টাইগার্স। খুলনার দেওয়া ১৩১ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে তিন বল বাকি থাকতেই জয় তুলে নেয় নুরুল হাসান সোহানের দল। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৪ রান করেন শোয়েব মালিক। খুলনার হয়ে ২ উইকেট শিকার করেছেন ওয়াহাব রিয়াজ।
খুলনার দেওয়া স্বল্প পুঁজির লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই রনি তালুকদারকে হারায় রংপুর। এরপর সাইম আয়ুব এবং শেখ মেহেদীও দ্রুত আউট হলে চাপে পড়ে রংপুর দল। তবে সে চাপকে সামলে নেন নাইম শেখ এবং শোয়েব মালিক। যদিও ক্রিজে থিতু হয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি নাইম, ফিরে গেছেন ২১ রান করে।
এক প্রান্ত আগলে রেখে দলকে জয়ের পথেই রেখেছিলেন মালিক। তবে অধিনায়ক সোহানের দ্রুত বিদায়ে আবারো হারের শঙ্কায় পড়ে রংপুর। যদিও শেষ দিকে শামীম পাটোয়ারীর ৩ চারে ম্যাচে ফেরে সোহানের দল। মালিক ব্যক্তিগত ৪৪ রান করে বিদায় নিলেও শামীম শেষ পর্যন্ত ক্রিজে থেকে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন।
এর আগে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে আজম খানের ৩৪, ইয়াসির রাব্বির ২৫ এবং মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের ২২ রানে ভর করে ১৩০ রানের স্বল্প পুঁজি দাঁড় করায় খুলনা। এদিনও ব্যাট হাতে রান পাননি তামিম ইকবাল।