১৫ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

সারাদেশ

টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে সিলেটের নদনদীর বিপৎসীমা অতিক্রমের আশঙ্কা

টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে সিলেটের নদনদীর বিপৎসীমা অতিক্রমের আশঙ্কা

ডায়াল সিলেট ডেকস

টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে সিলেটের প্রধান দুই নদী সুরমা ও কুশিয়ারায় পানি বাড়ছে।এভাবে চলতে থাকলে  আগামী দিনে আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন,ভারতের উজানে লাগাতার ভারী বর্ষণের কারণে এই নদনদীগুলোর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে ।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, সুরমা নদীর কানাইঘাট পয়েন্টে রোববার সন্ধ্যায় পানি ছিল ১০.৯১ মিটার। সোমবার সকাল ৬টায় তা বেড়ে দাঁড়ায় ১০.৯৭ মিটার এবং সকাল ৯টায়ও একই অবস্থানে ছিল পানি।

সিলেট শহর পয়েন্টে রোববার সন্ধ্যা ৬টায় পানি ছিল ৮.৬১ মিটার। সোমবার সকাল ৬টায় তা বেড়ে দাঁড়ায় ৮.৭০ মিটার, সকাল ৯টায় ৮.৭৩ মিটার, দুপুর ১২টায় ৮.৭৭ মিটার এবং বিকেল ৩টায় বেড়ে হয় ৮.৮৫ মিটার।

কুশিয়ারা নদীর আমলশিদ পয়েন্টে রোববার সন্ধ্যায় পানি ছিল ১২.৯৯ মিটার। সোমবার সকাল ৬টায় তা বেড়ে দাঁড়ায় ১৩.২০ মিটার, সকাল ৯টায় ১৩.২৫ মিটার, দুপুর ১২টায় ১৩.২৯ মিটার এবং বিকাল ৩টায় আরও বেড়ে হয় ১৩.৩৫ মিটার।

শেওলা পয়েন্টে পানির প্রবণতা একই। রোববার সন্ধ্যায় পানি ছিল ১০.৬২ মিটার। সোমবার সকাল ৬টায় বেড়ে দাঁড়ায় ১০.৭২ মিটার, সকাল ৯টায় ১০.৭৬ মিটার, দুপুর ১২টায় ১০.৭৮ মিটার এবং বিকেলে ৩টায় হয় ১০.৮৫ মিটার। তবে সন্ধ্যার তথ্য পাওয়া যায়নি।

ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে তুলনামূলকভাবে পানি কিছুটা স্থিতিশীল। রোববার সন্ধ্যায় ছিল ৮.৫৫ মিটার, যা সোমবার সকালে ৮.৫৪ মিটারে নেমে আসে। এরপর আবার দুপুরে সামান্য বেড়ে হয় ৮.৫৫ মিটার এবং বিকেলেও তা স্থির থাকে।

শেরপুর পয়েন্টে কুশিয়ারার পানি কিছুটা কমছে। রোববার সন্ধ্যায় পানি ছিল ৭.১২ মিটার, যা সোমবার বিকেলে কমে হয় ৭.১০ মিটার।

এছাড়া সিলেটের পাহাড়ি নদীগুলো-লোভা, সারি, ডাউকি, সারিগোয়াইন ও ধোলাই-তেও পানি উঠানামা করছে।

আশঙ্কার কথা বলে পানি উন্নয়ন  বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক রঞ্জন দাশ জানান, ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে টানা বর্ষণের কারণে উজানের পানি দ্রুত বাড়ছে। এ অবস্থায় সুরমা ও কুশিয়ারাসহ সিলেটের নদ-নদীগুলো বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে বলে পূর্বাভাস রয়েছে।