ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় মারধরের শিকার বসন্ত কুমার দাস (৫২) নামের এক বন বিভাগের কর্মকর্তা মারা গেছেন। রোববার (১৩ আগস্ট) সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
তিনি রাজধানীর মহাখালীতে বন ভবনে হিসাব বিভাগে কর্মরত ছিলেন বলে স্বজনেরা জানিয়েছেন।
নিহতের ছোট ভাই হেমন্ত কুমার দাস বলেন, বসন্ত কুমার রাজধানীর মহাখালীতে বন ভবনে হিসাব বিভাগে কর্মরত ছিলেন। দূর সম্পর্কের এক ফুফাতো বোনের সঙ্গে মাঝেমধ্যে ফোনে কথা বলতেন তিনি। এর জেরে তার স্বামী শান্তি মণ্ডল শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে বসন্তকে ডেকে নিয়ে যান। এরপর কলাভবনের সামনে এলোপাতাড়ি কিলঘুষি, চড়থাপ্পড় দেন। মারধরের পর শান্তি মণ্ডল নিজেই কল দিয়ে তাদের ঢাবিতে যেতে বলেন।
তিনি জানান, পরিবারের সদস্যরা ক্যাম্পাসে গিয়ে বসন্তকে পুলিশের জিম্মায় পান। তখন পুলিশের কাছ থেকে বসন্তকে নিয়ে বাসায় ফেরেন।
হেমন্ত কুমার বলেন, মালিবাগের বাসায় ফিরে রাতেই বসন্ত অসুস্থ হয়ে পড়েন। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢামেকে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুরে মারা যান তিনি।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া জানান, রোববার সকাল নয়টার দিকে বসন্ত কুমার দাসকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আনা হয়। পরীক্ষা–নিরীক্ষা করে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ময়নাতদন্তের জন্য তার মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে।