১৭ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

দেশে কোনো একতরফা নির্বাচন করতে দেওয়া হবে না : খন্দকার মুক্তাদির

ডায়াল সিলেট ডেস্ক :: বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে বার বার নির্বাচিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দেশের গণতন্ত্র পুণরুদ্ধারের জন্য আজীবন সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি আজ গুরুতর অসুস্থ। দেশে তার সুচিকিৎসা সম্ভব নয়। ডাক্তাররা জানিয়েছেন বিদেশে তার উন্নত চিকিৎসা প্রয়োজন। কিন্তু তাকে সুচিকিৎসা থেকে বঞ্চিত রেখেছে। তারা এখন বেগম জিয়াকে ছাড়া দেশে একতরফা নীশি রাতের আরেকটি প্রহসনের নির্বাচন করার দিবাস্বপ্ন দেখছে। দেশের মানুষ জেগে উঠেছে। অবিলম্বে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে নিঃশর্ত মুক্তি দিয়ে তার সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে। বেগম জিয়াকে রেখে দেশে কোনো একতরফা নির্বাচন করতে দেওয়া হবে না।

 

শনিবার বিকেলে বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি ও সুচিকিৎসা নিশ্চিত করার দাবি কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপি আয়োজিত পদযাত্রা কর্মসূচি পূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

 

নগরীর রেজিস্ট্রারি মাঠে আয়োজিত সবাবেশে সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইনের সভাপতিত্ব এবং সিলেট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরীর যৌথ সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বিএনপির কেন্দ্রীয় ক্ষুদ্র ঋণ বিষয়ক সহ-সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আবুল কাহের চৌধুরী শামীম, সিলেট জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আশিক উদ্দিন আহমদ, সহ-সভাপতি মামুনুর রশিদ মামুন, মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক রেজাউল হাসান কয়েস লোদী।

 

সভাপতির বক্তব্যে সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে সফল ও নির্যাতিত নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তিনি স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন করে দেশে গণতন্ত্রকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছিলেন। কিন্তু গুরুতর অসুস্থ থাকাবস্থায়ও সরকার তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে দিচ্ছে না। শুধুমাত্র বেগম জিয়াই নন, দেশের সাধারণ মানুষ আজ নির্যাতিত। দেশবাসী নিজেদের ভোটাধিকার, বাক স্বাধীনতা ও মৌলিক মানবাধিকার থেকে বঞ্চিত। এমন পরিস্থিতিতে এই সরকারের পতন নিশ্চিত করে দেশে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা করা না হলে দেশ এই সংকট থেকে মুক্ত হবে না।

 

এসময় সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপি এবং অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ফখরুল ইসলাম ফারুক, এ কে এম তারেক কালাম, ইকবাল বাহার চৌধুরী, শহিদ আহমদ (চেয়ারম্যান), সৈয়দ মিসবাহ উদ্দিন, নজিবুর রহমান নজিব, সৈয়দ মঈনুদ্দিন সোহেল, ডা. নাজমুল ইসলাম, আমির হোসেন, মাহবুবুর রব চৌধুরী ফয়সল, গোলাম রব্বানী, ইকবাল আহমদ, সামিয়া বেগম চৌধুরী, নিহার রঞ্জন দাস, ইশতিয়াক আহমদ সিদ্দিকী, অ্যাডভোকেট হাসান আহমদ পাটোয়ারী রিপন, তাজরুল ইসলাম তাজুল, আব্দুল হাকিম চৌধুরী, সুরমান আলী, কামরুল হাসান সাহীন, আনোয়ার হোসেন মানিক, সৈয়দ সাফেক মাহবুব, মুর্শেদ আহমদ মুকুল, হুমায়ুন আহমেদ মাসুক, অ্যাডভোকেট আবু তাহের, অ্যাডভোকেট মোমিনুল ইসলাম মোমিন, নেওয়াজ বক্ত তারেক, কোহিনুর আহমদ, আব্দুল আহাদ খান জামাল, মাহবুবুল হক চৌধুরী, আবুল কাশেম, অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ, রফিকুল ইসলাম শাহপরান, শাকিল মোর্শেদ, অ্যাডভোকেট মুজিবুর রহমান, শামীম আহমদ, শফিকুর রহমান, অ্যাডভোকেট আল আসলাম মুমিন, শামীম মজুমদার, মতিউল বারী খুর্শেদ, মুফতি নিহাল, আব্দুল ওয়াহিদ সুহেল, সাদিকুর রহমান সাদিক, সুলেমান হোসেন, আক্তার রশিদ চৌধুরী, লোকমান আহমদ, শামীম হেলালী, আব্দুল হাফিজ, মকসুদ আহমদ, অ্যাডভোকেট মোস্তাক আহমদ, আল মামুন খান, মির্জা বেলায়েত হাসান লিটন, আব্দুল হাকিম, শেখ মো. কবির মিয়া, আব্দুর রহিম মল্লিক, নাদির খান, মো. লুৎফুর রহমান মোহন, মঞ্জুরুল হাসান মঞ্জু, সুয়াইব আহমদ শোয়েব, আলী আকবর, আলাউদ্দিন রিপন, স্টালিন, আজিজুর রহমান, জালাল খান, আব্দুল মালেক, মাহবুব আলম, তাজ উদ্দিন মাসুম, অ্যাডভোকেট আহমেদ রেজা, অর্জুন ঘোষ, মনিরুল ইসলাম তুরন, আহাদ চৌধুরী শামীম, আব্দুল মুনিম, আব্দুল ওয়াদুদ মিলন, মো. তারেক খান, মো. বাচ্চু মিয়া, সবুর আহমদ, মো. মিজান আহমদ, আব্দুল আহাদ, নিগার সুলতানা ডেইজি, আলাউদ্দিন আলাই, নাজিম উদ্দিন পান্না, দেওয়ান জাকির, মির্জা সম্রাট, আফসর খান, সুদীপ জ্যুতি এষ, দেলোয়ার হোসেন দিনার, শাহীন আলম জয়, কুমকুম ফাহিমা, সুলতানা রহমান দিনা, শামসুর রহমান সুজা, বখতিয়ার আহমদ ইমরান, আহমদ সোলায়মান, ইসমাইল হোসেন সেলিম, আকবর হোসেন, রায়হান এইচ খাঁন, জাহেদ আহমদ, সারোয়ার হোসেন, হাসান মঈন উদ্দিন আহমদ, শামসুর রহমান শামীম, মো. মাহবুব আলম, জসিম উদ্দিন, আব্দুস সামাদ তুহেল, মিফতাউল কবির মিফতা, তোফাজ্জল হোসেন বেলাল, মাসুম ইবনে রাজ্জাক রুমেল, রফিকুল ইসলাম রফিক, মামুন ইবনে রাজ্জাক রাসেল, রুবেল বক্স, আবু সাঈদ মো. তায়েফ, সৈয়দ রহিম আলী রাসু, মিনহাজ পাঠান, আব্দুস সবুর রাসেল, নজরুল ইসলাম, আব্দুল মালিক সেকু, অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম, তোফায়েল আহমদ সুহেল, কবির আহমদ, জিয়াউল হক জিয়া, আব্দুর রহমান, আব্দুল লতিফ খাঁন, ডা. এনামুল হক, সুহেল ইবনে রাজা, কামরুজ্জামান দিপু, কবির উদ্দিন, সুহেল মাহমুদ, সরোয়ার রেজা, নজরুল ইসলাম, কয়েস আহমদ, আব্দুল মন্নান, কামাল আহমদ, আকবর আলী, তোফায়েল আহমেদ, মাসরুর রাসেল,শাফিয়া খাতুন মনি, জাহাঙ্গীর আলম জীবন, রাসেল আহমদ রানা প্রমুখ।

 

পদযাত্রা কর্মসূচিটি রেজিস্ট্রারি মাঠ থেকে শুরু হয়ে নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সোবহানীঘাট পয়েন্ট গিয়ে শেষ হয়। এতে বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ছাড়াও সাধারণ জনতা অংশ নেন।