২০১৯ এর জুলাইয়ে ১০০ দিনের চুক্তিতে বিশেষজ্ঞ স্পিন বোলিং কোচ হিসেবে নিয়োগ পান সাবেক ব্ল্যাকক্যাপস তারকা ড্যানিয়েল ভেট্টরি। সেই বছর ২৬ অক্টোবর তিনি ঢাকায় পা রেখেছিলেন। টাইগারদের সঙ্গে তার প্রথম মিশন ছিল নভেম্বরে ভারত সফরে টি-টোয়েন্টি ও টেস্ট সিরিজে। তিনি বাংলাদেশ দলের সঙ্গে ২০২০ এর ফেব্রুয়ারিতে পাকিস্তান সফরে যাননি নিরাপত্তার ইস্যুতে। এরপর অবশ্য ফেব্রুয়ারি-মার্চে তিনি শেষ কাজ করেছেন বাংলাদেশের মাটিতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজে। সব মিলিয়ে তার খুব বেশি কাজ করার সুযোগ হয়নি। মাত্র ৬০ দিনই সময় দিয়েছেন টাইগার-শিষ্যদের। মার্চ থেকে বিশ্বজুড়ে করোনা মহামারি ছড়িয়ে পড়লে তিনি চলে যান নিজ দেশ নিউজিল্যান্ডে। তখন থেকেই গুঞ্জন ছিল তিনি হয়তো আর টাইগারদের স্পিন গুরু হিসিবে কাজ করবেন না।
এই বছর জানুয়ারিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে কোনো স্পিন কোচ ছাড়াই মাঠে নামে টাইগাররা। ক্যারিবীয়দের ওয়ানডে সিরিজে ৩-০ তে হারিয়ে দেয় তামিম ইকবালের দল। কিন্তু টেস্টের ফল ঠিক উল্টো। দুই ম্যাচ হেরে মুমিনুল হক সৌরভের দল হোয়াটওয়াশ হয় তারকাবিহীন, তারুণ্য নির্ভর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। নিজেদের মাঠে স্পিন শক্তি নিয়েও নাকাল হয় টাইগাররা। তখন স্পিন বোলিং কোচের অভাবটা খুব চোখে পড়ে। আর সেই কারণেই বিসিবি নতুন একজন স্পিন কোচের কথাও ভাবছে। তবে শেষ পর্যন্ত ভেট্টরি থেকে গেলে বিসিবিকে আর নতুন কাউকে নিয়ে ভাবতে হবে না। এ বিষয়ে সিইও বলেন, ‘আমরা এখনই নতুন কোনো স্পিন কোচ নিয়ে ভাবছি না। ভেট্টরি আছেন, তিনি কাজও করবেন নিউজিল্যান্ডে। এমনতো নয় যে, তার সঙ্গে আমাদের চুক্তি শেষ হয়ে গেছে। তিনি চাইলে আমরা তাকেই রাখবো।’
বাংলাদেশ দল নিউজিল্যান্ড থেকে ফিরেই শ্রীলঙ্কায় টেস্ট সিরিজ খেলতেযাবে। ১২ থেকে ১৫ই এপ্রিলের মধ্যে দেশ ছাড়বে টাইগাররা। লঙ্কায় খেলবে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ। ভেন্যু এখনো নিশ্চিত হয়নি। এখন দেখার বিষয় এই সিরিজে ভেট্টরি দলের সঙ্গে যোগ দেন কিনা। তবেই তাকে নিয়ে শেষ হবে জল্পনা-কল্পনা। অন্যদিকে লঙ্কা সফরের সূচি দুই একদিনের মধ্যে চূড়ান্ত হবে বলে জানিয়েছেন সিইও নিজামুদ্দিন চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘এখনো শ্রীলঙ্কা সফরের সূচি নিশ্চিত হয়নি। দুই একদিনের মধ্যে আমরা তা করে ফেলবো আশা করি। দুটি টেস্ট হবে এই সিরিজে। এখনো ভেন্যু চূড়ান্ত নয়। তবে দ্রুতই সব জানা যাবে।’