ডায়ালসিলেট ডেস্ক॥ মৌলভীবাজারে অপহরন মামলায় কয়েজ আহমদ নামের একজনের ১৪ বছরের সশ্রম কারাদন্ড ও ২৫ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছেন আদালত।বৃহস্পতিবার ২৩ মার্চ দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাাইব্যুনালের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ মো: সোলায়মান এ রায় প্রদান করেন।রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি পলাতক ছিলেন।দন্ডপ্রাপ্ত কয়েজ আহমদ ওরফে নজরুল ইসলাম কুলাউড়া উপজেলার হিংগাজিয়া গ্রামের মৃত চেরাগ মিয়ার ছেলে।নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাাইব্যুনাল আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট নিখিল রঞ্জন দাশ ও এজাহার সুত্রে জানা যায়,মৌলভীবাজারের কুলাউড়া থানার মনরাজ ( সাহেব বাড়ি) গ্রামের ফয়সল এর স্ত্রী আক্তার জাহান এর মামাতো ভাই মীর্জা মোঃ মিনহাজ ফয়সলের বাড়িতে ৪/৫ যাবৎ থেকে আলী আমজাদ উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬ষ্ঠ শ্রেনীতে লেখাপড়া করে। ২০১০ সালের ১৫ এপ্রিল দুপুর ১:৩০ ঘটিকার সময় প্রতিদিনের ন্যায় মিনহাজ স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে মৌলভীবাজারের রবিবারবাজারের উত্তরাংশে বেবীষ্ঠ্যান্ড সংলগ্ন রাস্তায় পৌঁছা মাত্র আসামী কয়েজ আহমদ ওরফে নজরুল পিছন থেকে মিনহাজকে অপহরণ করার উদ্দেশ্য হাত ধরে সিএনজি তে তোলার চেষ্টা করলে এসময় মিনহাজ হাল্লা চিৎকার করে লোকজন জমায়েত করাকালে আকস্মিক হাত থেকে ছুটে টিপু সুলতানের দোকানে আশ্রয় নেয়। পরে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় আসামীকে আটক করে।অত:পর এজাহারকারী ধৃত আসামী সহ কুলাউড়া থানায় এসে নারী শিশু নিযাতন দমন আইন, ২০০০( সংশোধনী ২০০৩)এর ৭/৩০ ধারাধীনে অভিযোগে আসামীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।২০১০ সালের ১৯ জুন কুলাউড়া থানার উপ-পরিদর্শক আবু বক্কর আসামির বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে।আদালতের বিচারক ৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামির বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সন্দেহাতীত প্রমানিত হলে এ রায় প্রদান করেন।নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাাইব্যুনাল আদালতের পিপি এ্যাড. নিখিল রঞ্জন দাশ জানান, বিজ্ঞ আদালত আসামির বিরুদ্ধে অপহরণের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ সন্দেহাতীত ভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আসামির ১৪ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি পলাতক ছিলেন।