ডায়ালসিলেট ডেস্ক::মহামারি করোনা সংক্রমণরোধে দেশব্যাপী চলছে কঠোর লকডাউন। কঠোর লকডাউনের মধ্যেও ঊর্ধ্বমুখী হয়ে উঠেছে সবজির বাজার। দুই-তিন দিনের ব্যবধানে সব ধরনের সবজির দাম অন্তত কেজিপ্রতি ৮-১০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। বেশি লাভের আশায় ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ইচ্ছামতো দাম বাড়িয়ে কৌশলে পকেট কাটছে ভোক্তাদের। বাজারদর মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার না থাকায় এমন অবস্থা হয়েছে বলে মন্তব্য করেন ভোক্তারা। আর দাম বেড়ে যাওয়ায় বিপাকে নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষ।
খুলনার বিভিন্ন খুচরা বাজারে প্রতিকেজি বেগুন ৭০-৮০ টাকা, ঢেঁড়স ৫০ টাকা, ঝিঙে ৫০ টাকা, উস্তে ৮০ টাকা, কুশি ৫০ টাকা, আলু ২৫ টাকা, দেশি পিয়াজ ৫০ টাকা, কাকরোল ৫০ টাকা, কাঁচামরিচ ৪৫-৫০ টাকা, পেঁপে ৪০ টাকা, পটোল ৪০ টাকা, মিষ্টিকুমড়া ৩৫-৪০ টাকা, কাঁচকলা প্রতিহালি ৪০ টাকা, কচুরমুখী ৪৫-৫০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।
অথচ যা দুই-তিন দিন আগেও প্রতিকেজি বেগুন ৪০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০ টাকা, ঝিঙে ৩০-৩৫ টাকা, উস্তে ৬০ টাকা, কুশি ৩০ টাকা, আলু ২৫ টাকা, দেশি পিয়াজ ৫০ টাকা, কাকরোল ৩০ টাকা, কাঁচামরিচ ৪৫-৫০ টাকা, পেঁপে ৩০ টাকা, পটোল ৩০ টাকা, মিষ্টিকুমড়া ৩০ টাকা, কাঁচকলা প্রতিহালি ৪০-৪৫ টাকা, কচুরমুখী ৩০ টাকা দরে বিক্রি হয়।এদিকে, কমছে না ভোজ্য সয়াবিন তেলের দাম। অন্তত দু’মাস ধরে ভোজ্য তেলের বাজার রয়েছে অস্বাভাবিক। যা নিম্ন ও মধ্য আয়ের ভোক্তাদের পক্ষে কেনা খুবই কষ্টকর। খুচরা বাজারে ভোজ্য সয়াবিন বোতলজাত তীর (৫ লিটার) ৭০০ টাকা, রূপচাঁদা (৫ লিটার) ৭০০ টাকা, ফ্রেশ (৫ লিটার) ৬৮০ থেকে ৬৮৫ টাকা, পুষ্টি (৫ লিটার) ৬৮০ থেকে ৬৮৫ টাকা, লুজ সয়াবিন প্রতিলিটার ১৩৮-১৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। নগরীর অ্যাপ্রোচ রোডস্থ রূপসা কেসিসি সুপার মার্কেটে আসা ক্রেতা মিজানুর রহমান বলেন, ‘চিনি, সয়াবিন তেল, সবজিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বাড়তি।’
নগরীর শের-এ-বাংলা রোডস্থ সন্ধ্যা বাজারে আসা ব্যবসায়ী সামছুর রহমান মোল্লা বলেন, ‘সবধরনের সবজির দাম বাড়তি। দুই মাসের বেশি সয়াবিন তেলের দাম অস্বাভাবিক। বাজার দর মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করার জন্য সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।’
সন্ধ্যা বাজারের ব্যবসায়ী রবিউল ইসলাম বলেন, ‘সবজির সরবরাহ কম থাকায় হয়তো দাম বেড়েছে।’ ব্যবসায়ী শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘কঠোর লকডাউনের কারণে বাজারে সবজির সরবরাহও অনেক কম। এজন্য সবজির দাম বাড়তি।’
ডায়ালসিলেটএম/১৪