২৪শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

সবার আগে চীন যাচ্ছে পুরুষ ফুটবল দল

হাংজু এশিয়ান গেমস

 

স্পোর্টস ডেস্ক :: বরাবরের মতোই এশিয়ান গেমসে যাচ্ছে বাংলাদেশের বিশাল এক বহর। এবারের সংখ্যাটা ২৭০। সরকারী খরচের এই বহরে ক্রীড়াবিদ ১৮০ জন। কোচ ও বিভিন্ন পদবি নিয়ে চীন যাবেন আরো ৯০ জন। যদিও বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন (বিওএ) রোববার সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছে খেলোয়াড়-অফিসিয়াল মিলিয়ে ২৪০ জন গেমসে অংশ নেবে। এর বাইরেও বেশ কয়েকজন যাচ্ছেন এশিয়ান গেমসে।

 

২০১৮ সালে ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠিত এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশ অংশ নিয়েছিল ১৪ ডিসিপ্লিনে। ফিরেছিল পদকশূন্য। এবার বাংলাদেশ দল পাঠাচ্ছে ১৭ ডিসিপ্লিনে। গেমসে ক্রিকেট ফেরায় পদকের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের। পুরুষ ও নারী-ক্রিকেটের দুই ইভেন্টেই অংশ নেবে বাংলাদেশ। এই প্রথম বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল অংশ নিতে যাচ্ছে এশিয়ার সবচেয়ে বড় এই ক্রীড়া আসরে।

 

হাংজু এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশ অংশ নেবে অ্যাথলেটিকস, বক্স্রিং, কারাতে, ভারোত্তোলন, দাবা, হকি, জিমন্যাস্টিকস, ফেন্সিং, ব্রিজ, সাঁতার, তায়কোয়ানদো, শ্যুটিং, কাবাডি (পুরুষ ও নারী), গলফ, ফুটবল (পুরুষ ও নারী), আরচারি, ক্রিকেট (পুরুষ ও নারী)।

 

সবচেয়ে বেশি ৪৪ ক্রীড়াবিদ ফুটবলে, ক্রিকেটে ৩০ জন এবং কাবাডিতে ২৪ জন। সবচেয়ে কম অ্যাথলেটিকসে। কেবলমাত্র দেশের দ্রুততম মানব ইমরানুর রহমান অংশ নেবেন এশিয়ান গেমসে।

 

সংবাদ সম্মেলনে বিওএ মহাসচিব সৈয়দ শাহেদ রেজা বলেছেন, ‘সম্ভাব্য সেরা দল নিয়েই এবার এশিয়ান গেমসে অংশ নেবো আমরা। আশা করি, কয়েকটি ডিসিপ্লিনে আমাদের ক্রীড়াবিদরা সম্মানজনক ফলাফল করতে পারবেন। কয়েকটি ফেডারেশন বিদেশি কোচের অধীনে ক্রীড়াবিদদের অনুশীলন করিয়েছে। এবার ক্রিকেট, আরচারি, শ্যুটিংয়ে আমরা ভালো করতে পারি। ভালো কিছু আশা করছি দুই প্রবাসী ক্রীড়াবিদ অ্যাথলেট ইমরানুর রহমান ও বক্সার জান্নাত ফেরদৌসকে নিয়ে।’

 

প্রথম দল হিসেবে আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর রাতে চীন রওয়ানা হবে পুরুষ ফুটবলাররা। এর পর পর্যায়ক্রমে অন্যান্য ডিসিপ্লিনের খেলোয়াড়রা যাবেন। খেলা শেষ হওয়ার পর আবার ভীন্নভাবে দল ফিরে আসবে দেশে। ২৩ সেপ্টেম্বর গেমসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হলেও ফুটবল (পুরুষ) দিয়ে মাঠের খেলা শুরু হয়ে যাবে ১৯ সেপ্টেম্বর। প্রথম দিনই বাংলাদেশ মাঠে নামবে। প্রতিপক্ষ মিয়ানমার।

 

এবার এশিয়ান গেমসের মার্চপাস্টে জাতীয় পতাকা বহন করবেন উপমহাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার নিয়াজ মোর্শেদ ও জাতীয় নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক সাবিনা খাতুন।