১১ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

রাজনীতি

সেপ্টেম্বর থেকে অক্টোবরের মধ্যে সরকারকে বিদায় নিতে হবে: দুদু

সেপ্টেম্বর থেকে অক্টোবরের মধ্যে সরকারকে বিদায় নিতে হবে: দুদু

ডায়াল সিলেট ডেস্ক :: সেপ্টেম্বর থেকে অক্টোবরের মধ্যে এই সরকারকে বিদায় নিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু। তিনি বলেন, ‘সরকার বিদায় নিলে দেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠিত হবে ভালো নির্বাচন। সেই নির্বাচনে কারা ক্ষমতায় আসবে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগীরা জানে।

 

রবিবার বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া ও আমানউল্লাহ আমানের মুক্তির দাবিতে আয়োজিত অবস্থান কর্মসূচিতে তিনি এসব কথা বলেন। রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এই অবস্থান কর্মসূচির আয়োজন করে দেশ বাঁচাও, মানুষ বাঁচাও আন্দোলন।

 

শামসুজ্জামান দুদু বলেন, ‘এখন চারপাশে কথাবার্তা হচ্ছে, এই সরকার আর থাকছে না। নিশ্চিতভাবে এই সরকার আর থাকছে না। খুব শিগগিরই তাদের বিদায় নিতে হবে।’

 

তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকার গায়ের জোরে, বন্দুকের জোরে দেশ দখল করে নিয়েছে। ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালের যে নির্বাচনের কথা তারা (সরকার) বলে, এগুলো কোনও নির্বাচন হয়নি। এসব নির্বাচনের কথা যাতে না বলা যায়, সেজন্য সাইবার নিরাপত্তা আইন করা হয়েছে। এই আইন মানুষের মুখকে বন্ধ করার জন্য।’

 

গণতন্ত্রের মুখোশধারীরা দেশকে দখল করে নিয়েছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, আইন-আদালত, শিক্ষাঙ্গন দখল করেছে সরকার। তাদের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করতে হবে। এরশাদের হাত থেকে দেশকে দখলমুক্ত করা হয়েছিল গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য। কিন্তু আবার গণতন্ত্রের মুখোশধারীরা শেখ হাসিনাকে সামনে এনে দেশকে দখল করে নিয়েছে।’

 

সাবেক এই সংসদ সদস্য বলেন, ২০১৮ ও ২০১৪ সালের নির্বাচন এটা কোনো নির্বাচন হয়নি। তাই সামনের নির্বাচনে মানুষের কথা বলা বন্ধ করার জন্য সাইবার নিরাপত্তা আইন করেছে। কথা একটাই এ সরকারকে আমরা বিদায় করবো। দেশে কেয়ারটেকার সরকার প্রতিষ্ঠিত করবো। একটি ভাল নির্বাচন করবো।

 

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে তাকে বন্দি করে রেখেছে সরকার। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান কে মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়ে দেশে আসতে দিচ্ছেন না। তাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে হবে। আর তার জন্য এই সরকারের বিদায় করতে হবে। আর এই সরকারের বিদায় করতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে নামতে হবে।

 

সংগঠনের সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন সভাপতিত্বে অবস্থান কর্মসূচিতে আরো উপস্থিত ছিলেন মৎস্যজীবী দলের সদস্য সচিব আব্দুর রহিম, সাবেক এমপি সৈয়দা আশিফা আশরাফি পাপিয়া, মুক্তিযোদ্ধা দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মিয়া মো. আনোয়ার,পেশাজীবী নেতা আবু হানিফ, মুক্তার আখন্দ প্রমুখ।