করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যু বেড়ে যাওয়ায় সোমবার থেকে সারা দেশে এক সপ্তাহের লকডাউন দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই খবরে ঢাকা ছাড়ার হিড়িক শুরু হয়েছে। লকডাউনে কর্মহীন হয়ে পড়ার ভয়ে গতকাল বিকাল থেকেই মানুষজন ছাড়ছেন রাজধানী। সকালেও রাজধানীর গাবতলী, সায়েদাবাদ ও মহাখালী টার্মিনালে মানুষের ঢল দেখা গেছে। রাজধানীর প্রতিটি বাসে মানুষের উপচেপড়া ভিড়। ভিড় দেখা রেলস্টেশনগুলোতেও। হুড়োহুড়ি করে ট্রেনে উঠছেন যাত্রীরা। লোকাল ট্রেনগুলোতে এক সিটে তিন থেকে চারজন করে বসছেন।
তাদের কেউই স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না। একইভাবে ভিড় দেখা গেছে লঞ্চ টার্মিনালেও। ছোট ছোট নৌযানে করে গ্রামে ফিরছেন মানুষ। গত কয়েকদিন ধরে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যু। প্রতিদিনই মারা যাচ্ছে অর্ধশতাধিক মানুষ। আক্রান্ত হচ্ছে পাঁচ সহস্রাধিক। খালি নেই রাজধানীর হাসপাতালগুলোর আইসিইউ বেড। ভয়াবহ এই পরিস্থিতির বিবেচনায় গতকাল সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে জানান, সোমবার থেকে সারা দেশে এক সপ্তাহের লকডাউন দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। যদিও সরকারের তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও লকডাউনের প্রজ্ঞাপন জারি করেনি। তবে লকডাউন জারির পরিপত্র গত রাতেই প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী অনুমোদন দিলে আজ হয়তো প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। এদিকে লকডাউন বাস্তবায়নে কঠোর হওয়ার ঘোষণা দিয়েছে পুলিশ। সোমবার থেকে অভ্যন্তরীণ রুটে বিমান চলাচল বন্ধ ঘোষণা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। ট্রেন চলাচল বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষও।
গত বছরের মতো এবারও লকডাউনে সব ধরনের যাত্রীবাহী যান চলাচল বন্ধ থাকবে। তবে পণ্যবাহী যান চলাচল করতে পারবে। পণ্যবাহী যানে যাত্রী বহন নিষিদ্ধ থাকবে। বন্ধ থাবকে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও। তবে জরুরি সেবা দেয়া প্রতিষ্ঠানসহ শিল্প-কলকারখানা ও সংবাদপত্র খোলা থাকবে।উই স্বাস্থ্যবিধি মানছেন না। একইভাবে ভিড় দেখা গেছে লঞ্চ টার্মিনালেও। ছোট ছোট নৌযানে করে গ্রামে ফিরছেন মানুষ। গত কয়েকদিন ধরে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যু। প্রতিদিনই মারা যাচ্ছে অর্ধশতাধিক মানুষ। আক্রান্ত হচ্ছে পাঁচ সহস্রাধিক। খালি নেই রাজধানীর হাসপাতালগুলোর আইসিইউ বেড। ভয়াবহ এই পরিস্থিতির বিবেচনায় গতকাল সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে জানান, সোমবার থেকে সারা দেশে এক সপ্তাহের লকডাউন দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। যদিও সরকারের তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও লকডাউনের প্রজ্ঞাপন জারি করেনি। তবে লকডাউন জারির পরিপত্র গত রাতেই প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী অনুমোদন দিলে আজ হয়তো প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। এদিকে লকডাউন বাস্তবায়নে কঠোর হওয়ার ঘোষণা দিয়েছে পুলিশ। সোমবার থেকে অভ্যন্তরীণ রুটে বিমান চলাচল বন্ধ ঘোষণা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। ট্রেন চলাচল বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষও।
গত বছরের মতো এবারও লকডাউনে সব ধরনের যাত্রীবাহী যান চলাচল বন্ধ থাকবে। তবে পণ্যবাহী যান চলাচল করতে পারবে। পণ্যবাহী যানে যাত্রী বহন নিষিদ্ধ থাকবে। বন্ধ থাবকে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও। তবে জরুরি সেবা দেয়া প্রতিষ্ঠানসহ শিল্প-কলকারখানা ও সংবাদপত্র খোলা থাকবে।