নির্ধারিত স্থানে কোরবানীর পশু জবাই করতে সিসিক মেয়রের আহবান

প্রকাশিত: ১:০৬ অপরাহ্ণ, জুলাই ২৩, ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক ::   করোনাভাইরাস মহামারির পরিস্থিতির মধ্যেই পহেলা আগষ্ট এবারের ইদ উল আজহা অনুষ্ঠিত হবে। করোনাকালিন এই পরিস্থিতি বিবেচনায় নগরবাসিকের নির্ধারিত স্থানে কোরবানী পশু জবাইয়ের আহবান জানিয়েছে সিলেট সিটি করপোরেশন।

নগরীর ২৭টি ওয়ার্ডের ৩০ টি স্থানে পশু কোরবানীর স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে।

যত্রতত্র পশু কোরবানী না করে সিসিকের নির্ধারিত স্থান সমূহে ইদের দিন পশু কোরবানী করার আহবান জানান সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী।

তিনি বলেন, সিসিকের ব্যবস্থাপনায় নির্ধারিত স্থান সমূহের পশু কোরবানীর জন্য উপযোগি পরিবেশ থাকবে। স্বাস্থ্য সম্মত পরিবেশে যাতে কোরবানী দাতারা তাদের পশু কোরবানী করতে পারবেন সে ব্যবস্থা করা।

কোরবানীর স্থানগুলোতে পেন্ডেল তৈরী করে দেয়া হবে। থাকবে পানির সুব্যবস্থা, বালতি, মগ, ত্রিপল, চাটাই সহ থাকবে সহজে বর্জ্য অপসারণের সুবিধা সমূহ।

সিলেট সিটি করপোরেশনের নির্ধারিত স্থান সমূহ হলো- ১ নম্বর ওয়ার্ডে ৩০ অর্ণব, মীরের ময়দান, ২ নম্বর ওয়ার্ডের নির্ধারিত স্থান-প্রহরী আ/এ পুরাতন মেডিকেল কলোনী, ৩, ১২, ১৭, ১৯, ২৪, ২৫, ২৬ ও ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিললের বাসা সংলগ্ন স্থান এবং ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলরের বাসা সংলগ্ন স্থান ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয় মাঠে কোরবানীর পশু জবাইয়ের ব্যবস্থা করা হবে।
৫, ৬, ৭, ৮, ১১ ও ২৩ নম্বর ওয়ার্ডে পশু কোরবানীর স্থান নির্ধারন করা হয়েছে ওয়ার্ড কাউন্সিলরের কার্যালয়ে।

৪ নম্বর ওয়ার্ডের জন্য নিধৃারিত স্থান- আম্বরখানা কলোনী মাঠ, ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কোরবানী দাতারা পশু কোরবানী দিবেন এতিম স্কুল রোডের জবাই খানায়, ১০ নম্বর ওয়ার্ডের ঘাসিটুলা কলাপাড়া ওয়ার্কশপের মাঠ ও নবাব রোড পিডিবি কোয়াটার, ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাজীরবাজার মাদ্রাসার মাঠ, ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের শাহজালালা জামেয়া স্কুল এন্ড কলেজ মাঠ, ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের সওদাগরটুলা মাঠ, ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর বাসার সামনের মাঠ- কুমারপাড়া, ২০ নম্বর ওয়ার্ডের সৈয়দ হাতিম আলী (রা) উচ্চবিদ্যালয় মাঠ, ২১ নম্বর ওয়ার্ডের সৈয়দ হাতিম (রা) সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ, ২২ নম্বর ওয়ার্ডের বøক-এ, রোড ২৭, শাহজালাল উপশহর ও বøক-ই, খেলার মাঠ শাহজালাল উপশহর-এ ইদের পশু কোরবানীর জন্য স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে।

এসব স্থানে পশু কোরবানীর পরপর বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য সিসিকের পরিচ্ছন্নতা শাখার কর্মীরা দায়িত্ব পালন করবে। পাশাপাশি পশু কোরবানী এসব স্থানে সিসিকের একাধিক মনিটরিং টিম কাজ করবে।

0Shares