ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সিলেটে পালিত পবিত্র ঈদুল ফিতর

প্রকাশিত: ৫:৪০ অপরাহ্ণ, মে ১৬, ২০২১

ডায়ালসিলেট ডেস্ক :: 

মহামারি করোনা সংক্রমণ বিস্তার রোধে এবারের ঈদগাহ ময়দান ছাড়া যথাযোগ্য মর্যাদ ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে সিলেটসহ সারাদেশে পালিত হয়েছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধানার পর সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী  শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে এবং স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে মসজিদে মসজিদে ঈদ জামাতে মুসল্লিদের ঢল নামে। রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাসের পর মসজিদে মসজিদে ঈদ জামাত শেষে অনুষ্ঠিত মোনাজাতে সকল গুনাহমাফ, করোনা মহামারি থেকে মুক্তি এবং মহান আল্লাহপাকের নৈকট্য হাসিলের লক্ষ্যে মসজিদগুলোতে আগত লাখো মুসল্লির জমায়েতে কান্নাররোল পড়ে যায়। মোনাজাতে আমীন! আমীন! ধ্বনিতে প্রকম্পিত হয়ে উঠে আকাশ-বাতাস।

বিভিন্ন মসজিদে মসজিদে মুসল্লিদের ঈদ জামাত আদায় করতে হয়েছে। তবে নগরীর ঈদগাহ ময়দানে এবারও ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়নি। মুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে ঈদকে ঘিরে যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস থাকার কথা তা এবারও ম্লান করে দিয়েছে করোনাভাইরাস। সরকারি অনুরোধে করোনা মহামারি থেকে মুক্তি, দেশ জাতির সুখ-শান্তি উন্নতি এবং মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ সমৃদ্ধি কামনা করে ঈদ জামাত শেষে মসজিদগুলোতে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মসজিদের পেশ ইমাম ও খতিবরা পবিত্র আল আসকায় ইহুদিবাদী ইসরায়েলী বাহিনীর বর্বরোচিত হত্যাযজ্ঞের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে ফিলিস্তিনি মুসলমানদের জান-মাল রক্ষায় বিশেষ দোয়া করেন।

ঈদ যে আনন্দের বার্তা বয়ে এনেছে, তার মর্মমূলে আছে শান্তি ও ভালোবাসা। পরস্পরের বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী হয়ে ওঠার এক মহান উপলক্ষ ঈদ। ঈদুল ফিতরের আগমনী সুরে বেজে চলেছে মানুষে মানুষে মিলনের এই আকুতি। কিন্ত করোনা মহামারিতে গোটা বিশ্ব যেনো লন্ডভন্ড। লকডাউনের মাঝেই উদযাপিত হলো ঈদুল ফিতর।

সিলেটে সবচেয়ে বড় জামাত অনুষ্ঠিত হয় হযরত শাহজালাল (রহ.) দরগাহ মাজার মসজিদে সকাল সাড়ে ৮ঘটিকায়।এরপর বন্দরবাজার জামে মসজিদ, হাজী কুতরত উল্লাহ জামে মসজিদে মোট তিনটি জামাত অনুষ্ঠিত হয়ে এছাড়াও বন্দরবাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৮টায় ও কালেক্টরেট মসজিদে সকাল ৭টা, ৮টা, ৯টা ও ১০টায় চারটি জামাত, জজ কোর্ট মসজিদে সাড়ে ৮টায়, লাল দিঘীর পাড় জামে মসজিদে সাড়ে ৮টায়, সুবহানীঘাট জামে মসজিদে সাড়ে ৭টায়, সুবহানীঘাট কাঁচাবাজার জামে মসজিদে সাড়ে ৮টায়, মীরবক্সটুলা জামে মসজিদে ৮টায়, ভার্তখলা জামে মসজিদে সাড়ে ৮টায়, খোজারখলা মার্কাজ মসজিদে ৯টায়, কদমতলী জামে মসজিদে দু’টি জামাত ৮টায় ও ৮টা ৪৫ মিনিটে, ঝালোপাড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে সাড়ে ৮টায়, বরইকান্দি জামে মসজিদে ৮টায়, দারুস সালাম জামে মসজিদে দু’টি জামাত হয় ৭টা ১০ ও ৮টা ১০ মিনিটে, নয়াসড়ক জামে মসজিদে সাড়ে ৮টায়, নাইওরপুল তাকওয়া জামে মসজিদে ৮টা ৪৫ মিনিটে, টুকেরবাজার জামে মসজিদে সাড়ে ৮টায়, বীরপুর মসজিদে ৮টা ৪৫ মিনিটে, নুরীয়া জামে মসজিদে ৮টা ৩০ মিনিটে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

0Shares