পাকিস্তানি শিক্ষার্থীদের অনিশ্চিত শিক্ষা জীবন চীনে

dial dial

sylhet

প্রকাশিত: ১:৪৯ অপরাহ্ণ, জুন ১৯, ২০২১

ডায়লসিলেট ডেস্ক: পাকিস্তানি হাজারো শিক্ষার্থী চীনে বৃত্তি স্থগিত ও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শিক্ষা জীবনের সমাপ্তি না ঘটার আশংকায় রয়েছে । বেইজিং এ অন্যান্য বিদেশি শিক্ষার্থীদের ফিরে যাওয়ার অনুমতি পেলেও পাকিস্তানি শিক্ষার্থীরা তাদের শিক্ষা জীবনে ফেরত যাওয়ার অপেক্ষায় দিন কাটাচ্ছে।

ফয়সালাবাদের বাসিন্দা আব্দুল সাঈদ চীন বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নে পিএইচডি করেছেন। তিনি বলেন, ‘চীনে পড়ার জন্য চাকরি ছাড়ার পর এই বৃত্তিই তার পরিবারের আয়ের একমাত্র উৎস। এক বছর আগে স্টাইপেন্ড বন্ধ হওয়ার পর থেকে অর্থ কষ্টে আছি।’

এছাড়াও বেইজিং টেকনোলজি অ্যান্ড বিজনেস ইউনিভার্সিটির খাদ্য বিজ্ঞানে পিএইচডি করা লাহোরের বাসিন্দা হিনা ফাতিমা ডিডাব্লুকে বলেন, ‘আমি ২০১৯ সালে বৃত্তি ব্যবহারের জন্য আমার চাকরি ছেড়েছিলাম।চাকরি খুঁজে পাচ্ছি না এবং আমার ডিগ্রি শেষ করতে কত সময় লাগবে তা নিয়ে চিন্তিত। চীনা কর্তৃপক্ষও আমার বৃত্তি বন্ধ করে দিয়েছে, যার ফলে অপরিসীম আর্থিক কষ্টের মধ্যে আছি।’

করোনা মহামারির শুরুতে পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ ব্যাপক ক্ষোভের সম্মুখীন হয়, কারণ কর্মকর্তারা ভাইরাসের কেন্দ্রস্থল উহানে আটকে পড়া শিক্ষার্থীদের সরিয়ে নিতে অস্বীকার করে। চীন-পাকিস্তান বন্ধু রাষ্ট্র হলেও পাকিস্তানি শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে চীন বৈষম্যমূলক আচরণ করছে। চীনের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১৮ সালে ১৯৬টি দেশের মোট ৪,৯২,১৮৫ জন শিক্ষার্থী চীনে অধ্যয়নরত ছিল।
তবে কয়েক সপ্তাহ ধরে প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের উপর দেশীয় ও আন্তর্জাতিক চাপের পর সরকার নমনীয় হয় এবং তাদের দেশে ফেরার অনুমতি দেয়।

সূএ:বিডি প্রতিদিন

 

 

0Shares