খুলনায় একদিনে করোনায় ৭ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত: ১০:১৭ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ৩, ২০২১

খুলনায় একদিনে করোনায় ৭ জনের মৃত্যু

ডায়ালসিলেট ডেস্ক :: খুলনার চার হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ আগস্ট) পৃথকভাবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মৃতদের মধ্যে খুলনা ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালে তিনজন, খুলনা জেনারেল হাসপাতালে একজন, গাজী মেডিকেল হাসপাতালে দুইজন ও শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

খুলনা ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালের ফোকালপারসন ডা. সুহাস রঞ্জন হালদার জানান, হাসপাতালে মৃতরা হলেন- নগরীর সোনাডাঙ্গা এলাকার সবুর মোড়ল (৫৫), খালিশপুরের সেলিনা বেগম (৫০) ও চট্টগ্রামের শিতাকুন্ডুর হাবিবুল্লাহ (৭০)। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১১৯ জন। এরমধ্যে রেড জোনে ৪১ জন, ইয়েলো জোনে ৪৬ জন, আইসিইউতে ১৯ জন ও এইচডিইউতে ১৩ জন ভর্তি রয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ২৭ জন। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২৭ জন।

খুলনার শহীদ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালের করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ডা. প্রকাশ দেবনাথ জানিয়েছেন, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নগরীর সদর হাসপাতাল পশ্চিম এলাকার শামসুল হক (৭৬) নামের একজনের মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি রয়েছেন ৩৯ জন। এর মধ্যে আইসিইউতে রয়েছে ১০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় দুইজন রোগী ভর্তি হয়। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন তিনজন।

খুলনা জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ডা. কাজী আবু রাশেদ জানান, হাসপাতালে রূপসা রাজাপুর এলাকার শেখ আবুল হোসেন (৫৬) নামের এক রোগীর মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৩৯ জন। এরমধ্যে ৫ জন পুরুষ, আর ২৪ জন নারী। হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টয় ভর্তি হয়েছেন তিনজন। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন আটজন।

খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ৬০ জন ভর্তি রয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন সাতজন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১০ জন। আইসিইউতে ভর্তি রয়েছেন ৯ জন ও এইচডিইউতে দুইজন।

গাজী মেডিকেল হাসপাতালের সত্ত্বাধিকারী ডা. গাজী মিজানুর রহমান জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালের করোনা ইউনিটে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতরা হলেন- নগরীর মুন্সিপাড়ার রহিমা খাতুন (৭২) ও ঝিনাইদহ সদরের মহিলা কলেজ রোডের মোসাম্মৎ রহিমা খাতুন (৬৪)। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৬০ জন। আইসিইউতে রয়েছেন চারজন ও এইচডিইউতে ছয়জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ছয়জন আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ছয়জন।

ডায়ালসিলেট/এম/এ/

0Shares