নবম বারের মতো ইংলিশ লিগ কাপ (কারাবাও) জিতল লিভারপুল। নির্ধারিত নব্বই মিনিট ও অতিরিক্ত ত্রিশ মিনিটের খেলা গোলশূন্য সমতায় থাকায় ম্যাচের ভাগ্য গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানেই বাজিমাত লিভারপুলের। ২২ শটের টাইব্রেকারে চেলসিকে ১১-১০ গোলে হারিয়ে মৌসুমের প্রথম ঘরোয়া শিরোপার স্বাদ পেল লিভারপুল।
ম্যাচে ৫৪ ভাগ বলের দখল ছিল লিভারপুলের পায়ে। প্রতিপক্ষের পোস্টে ২০টি শট নিয়ে লক্ষ্যে রাখে ছয়টি। চেলসির পায়ে বল ছিল ৪৬ ভাগ। ব্লুজদের ১১টি শটের মাত্র চারটি ছিল লক্ষ্যে।
ওয়েম্বলিতে ৪-৩-৩ ফর্মেশনে প্রথমার্ধে দাপট দেখিয়েও গোল করতে পারেনি লিভারপুল। বেশ কয়েকবার গোছালো আক্রমণে উঠেও ভাঙতে পারেনি চেলসির রক্ষণ। দ্বিতীয়ার্ধে অল রেডরা আরো আক্রমণাত্মক কিন্তু ফরোয়ার্ডদের ব্যর্থতায় কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায়নি লিভারপুল। ৩-৪-২-১ ফর্মেশনে প্রথমার্ধে রক্ষণেই মনোযোগ ছিল চেলসির। দ্বিতীয়ার্ধেও তেমন আক্রমণে উঠতে পারেনি চেলসি। লিভারপুলের একের পর এক আক্রমণ ঠেকিয়ে ম্যাচ নিয়ে যায় অতিরিক্ত সময়ে। সেখানেও কোনো দল পারেনি গোল করতে।
শেষ পর্যন্ত টাইব্রেকারে নিষ্পত্তি হয় ম্যাচ। প্রথম দশ শটে দুই দলই সমান দশবার বল জালে জড়ায়। তবে ১১তম শটে এসে পথ হারায় চেলসি। লিভারপুলের ১১তম শটে গোলরক্ষক কেহের গোল করলেও চেলসির গোলরক্ষক কেপা আরিজাবালাগা গোল করতে ব্যর্থ হন। আর এতেই টাইব্রেকারে ১১-১০ গোলে শিরোপা নিজেদের করে নেয় লিভারপুল। ২০১১-১২ মৌসুমের পর আবারো কারাবাও কাপ জিতল অল রেডরা। ম্যানচেস্টার সিটিকে পেছনে ফেলে কারাবাও কাপের সর্বোচ্চ শিরোপার মালিক এখন লিভারপুল। সিটির ৮টি এবং লিভারপুলের ৯টি

0Shares

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *