দণ্ডপ্রাপ্ত ইমাম হলেন ৫২ বছর বয়সী আশরাফ ওসমানি। তিনি নর্থাম্পটনের আবিংটন সেন্ট্রাল মসজিদের দায়িত্বপ্রাপ্ত ইমাম ছিলেন। ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে তিনি ১৬ বছর বয়সী এক কিশোর ও কিশোরীর মধ্যে নিকাহ সম্পন্ন করেন, যা যুক্তরাজ্যের বিদ্যমান আইনের পরিপন্থী।
নর্থাম্পটন ক্রাউন কোর্টে বিচার চলাকালে আশরাফ ওসমানি অভিযোগ স্বীকার করেন। আদালতে তিনি দাবি করেন, ইংল্যান্ডে বিয়ের ন্যূনতম বয়স ১৮ নির্ধারণ করে যে আইন সংশোধন হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি অবগত ছিলেন না। সংশ্লিষ্ট আইনটি ঘটনার প্রায় নয় মাস আগেই কার্যকর হয়।
রায় ঘোষণার সময় বিচারক বলেন, ঘটনাটিতে জবরদস্তি বা সহিংসতার প্রমাণ পাওয়া যায়নি এবং কিশোর–কিশোরীরা স্বেচ্ছায় ইমামের কাছে গিয়েছিল। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে আদালত কারাদণ্ড স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়।
মামলাটি ২০২২ সালের Marriage and Civil Partnership (Minimum Age) Act অনুযায়ী পরিচালিত হয়, যা অ্যান্টি-সোশ্যাল বিহেভিয়ার, ক্রাইম অ্যান্ড পলিসিং অ্যাক্টের আওতাভুক্ত।
কারাদণ্ডের পাশাপাশি আদালত আশরাফ ওসমানিকে ১৫০ পাউন্ড আদালত খরচ ও ভিকটিম সারচার্জ পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছেন।