জাতীয়

গাজীপুরে সাংবাদিক তুহিনকে নৃশংস হত্যার ঘটনায় গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাবের নিন্দা ও শোক প্রকাশ

গাজীপুরে সাংবাদিক তুহিনকে নৃশংস হত্যার ঘটনায় গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাবের নিন্দা ও শোক প্রকাশ

ডায়াল সিলেট ডেস্ক:-

বহুল প্রচারিত দৈনিক প্রতিদিনের কাগজ-এর স্টাফ রিপোর্টার সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনের উপর সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে হত্যার ঘটনায় সিলেটের গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাব নিন্দা ও গভীর শোক প্রকাশ করেছে।

সাংবাদিক তুহিন হত্যাকান্ডের ঘটনার পরপরই গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাবের সভাপতি মনজুর আহমদ ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ করিম মাহমুদ লিমন এক বিবৃতিতে ক্ষোভ প্রকাশ করে গাজীপুরের এই বর্বরোচিত হামলার ঘটনার নিন্দা জ্ঞাপন ও শোক প্রকাশ করে বলেন, ফুটপাতে কারা চাঁদাবাজি করে তা সবাই জানে।এই হত্যাকাণ্ডের সাথে তাদের সম্পৃক্ততা স্পষ্ট। অবিলম্বে এদের গ্রেফতার করতে হবে এবং শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

দেশের মানুষের দুঃখ দুর্দশা অধিকার নিয়ে কথা বলতে গিয়ে সাংবাদিকদের যদি এভাবে জীবন দিতে হয় তবে রাষ্ট্রের কল্যান এবং আদর্শ প্রশ্নবিদ্ধ হয়। গতকাল গাজীপুরেই সদর থানার কাছে আনোয়ার হোসেন নামের আরেকজন সাংবাদিকদের সাথে নির্মমতা করেছে সন্ত্রাসীরা। প্রশাসন সেই ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিলে তুহিনকে এমন নৃশংসভাবে জীবন দিতে হত না।

বিবৃতিতে গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ মরহুমের রুহের মাগফেরাত কামনা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করে এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করার দাবী জানান।

উল্যেখ্য, ৭ জুলাই সন্ধ্যায় গাজীপুর চৌরাস্তায় প্রকাশ্য দিবালোকে সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিনকে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। বিকালেই তিনি গাজীপুর চৌরাস্তায় ফুটপাতে চাঁদাবাজি নিয়ে একটি লাইভ করেছিলেন। সন্ধ্যায় তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হলো। দেশের চাঁদাবাজরা কত নৃশংস ও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে তার আরেকটি ভয়ংকর দৃষ্টান্ত এটা।

১

জগন্নাথপুরে হত্যা মামলার আসামিদের বাড়িঘরে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ ​জগন্নাথপুর প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার মীরপুর ইউনিয়নের উত্তর গড়গড়ি গ্রামে একটি হত্যা ঘটনার পর প্রতিপক্ষের অন্তত বেশ কয়েকটি বাড়িঘরে দফায় দফায় হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে।গত ১৮ অক্টোবর রাতে শূন্য বাড়িগুলোতে অগ্নি সংযোগ করা হয়। ভুক্তভোগীদের দাবি, জগন্নাথপুর থানা পুলিশ এ বিষয়ে কোনো মামলা নিচ্ছে না। হামলায় বসতঘর ও খামার থেকে গবাদিপশু, স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো অভিযোগ করেছে। ​ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই আসামিপক্ষের পরিবারগুলো চরম আতঙ্কে রয়েছে। কয়েকটি বাড়ি পুরো পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে। আর এই শূন্য বাড়িগুলোকে লক্ষ্য করে দফায় দফায় হামলা চালানো হচ্ছে। এমনকি গত রাতেও আসামিদের বসতঘরে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। ​গতকাল ১৯ অক্টোবর সরেজমিনে উত্তর গড়গড়ি গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, পুরুষশূন্য বাড়িগু রয়েছে, পরিত্যক্ত বাড়িগুলোতে, দফায় দফায় অগ্নিসংযোগ করে যাচ্ছে, প্রতিপক্ষরা, থানায় অভিযোগ করলেও, কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। ঘরের ভেতরের আসবাবপত্র ভেঙে চুরমার করে যত্রতত্র ছিটিয়ে রাখা হয়েছে এবং আগুনে পুড়িয়ে ছাই করে দেওয়া হয়েছে। ঘটনার পর থেকে পরিবারের পুরুষ সদস্যরা আত্মগোপনে থাকায় নারী ও শিশুরা চরম মানবেতর জীবনযাপন করছেন এবং বাধ্য হয়ে আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন। ​হামলা, লুটপাট ও ক্ষয়ক্ষতির ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে সুনামগঞ্জ আদালত ও জগন্নাথপুর থানায় মোট চারটি পৃথক লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এর মধ্যে সুনামগঞ্জের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি সিআর মামলা (মামলা নং— ১৮৮/২০২৬) দায়ের করেছেন মোছা. ফাতেমা বেগম (৩৮)। এই মামলায় স্থানীয় ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।