বিমানবন্দরে লাগা আগুনের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ার কারণে সৌদির ফ্লাইট সিলেটে

ডা্য়াল সিলেট ডেস্ক-

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগা আগুনের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ার কারণে বিমান ওঠানামা সাময়িকভাবে স্থগিত ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। এ অবস্থায় সৌদি আরব থেকে আসা একটি ফ্লাইট পথ পরিবর্তন করে সিলেটে অবতরণ করতে বাধ্য হয়েছে।

রিয়াদ থেকে আসা ফ্লাইটটি শনিবার বিকেলে (১৮ অক্টোবর) সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে বলে বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে।

এর আগে, দুপুর আড়াইটার দিকে শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো সেকশনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আগুনের সূত্রপাত হওয়ার পর তাৎক্ষণিকভাবে বাংলাদেশ সিভিল এভিয়েশনসহ বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস এবং বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর দুটি ফায়ার ইউনিট কাজ শুরু করে। পরে পর্যায়ক্রমে যোগ দিতে থাকে ফায়ার সার্ভিসের একের পর এক ইউনিট।

সব মিলিয়ে এই মুহূর্তে ফায়ার সার্ভিসের ২৮টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে বলে জানা গেছে। আগুন নেভাতে ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে যোগ দিয়েছে নৌ, সেনা এবং বিমানবাহিনীও।

তাৎক্ষণিকভাবে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি। তবে, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ সবাইকে নিরাপদ ও সচেতন থাকার অনুরোধ জানিয়েছে। একইসঙ্গে এ ব্যাপারে গভীর তদন্তেরও আশ্বাস দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

১

জগন্নাথপুরে হত্যা মামলার আসামিদের বাড়িঘরে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ ​জগন্নাথপুর প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার মীরপুর ইউনিয়নের উত্তর গড়গড়ি গ্রামে একটি হত্যা ঘটনার পর প্রতিপক্ষের অন্তত বেশ কয়েকটি বাড়িঘরে দফায় দফায় হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে।গত ১৮ অক্টোবর রাতে শূন্য বাড়িগুলোতে অগ্নি সংযোগ করা হয়। ভুক্তভোগীদের দাবি, জগন্নাথপুর থানা পুলিশ এ বিষয়ে কোনো মামলা নিচ্ছে না। হামলায় বসতঘর ও খামার থেকে গবাদিপশু, স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো অভিযোগ করেছে। ​ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই আসামিপক্ষের পরিবারগুলো চরম আতঙ্কে রয়েছে। কয়েকটি বাড়ি পুরো পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে। আর এই শূন্য বাড়িগুলোকে লক্ষ্য করে দফায় দফায় হামলা চালানো হচ্ছে। এমনকি গত রাতেও আসামিদের বসতঘরে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। ​গতকাল ১৯ অক্টোবর সরেজমিনে উত্তর গড়গড়ি গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, পুরুষশূন্য বাড়িগু রয়েছে, পরিত্যক্ত বাড়িগুলোতে, দফায় দফায় অগ্নিসংযোগ করে যাচ্ছে, প্রতিপক্ষরা, থানায় অভিযোগ করলেও, কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। ঘরের ভেতরের আসবাবপত্র ভেঙে চুরমার করে যত্রতত্র ছিটিয়ে রাখা হয়েছে এবং আগুনে পুড়িয়ে ছাই করে দেওয়া হয়েছে। ঘটনার পর থেকে পরিবারের পুরুষ সদস্যরা আত্মগোপনে থাকায় নারী ও শিশুরা চরম মানবেতর জীবনযাপন করছেন এবং বাধ্য হয়ে আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন। ​হামলা, লুটপাট ও ক্ষয়ক্ষতির ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে সুনামগঞ্জ আদালত ও জগন্নাথপুর থানায় মোট চারটি পৃথক লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এর মধ্যে সুনামগঞ্জের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি সিআর মামলা (মামলা নং— ১৮৮/২০২৬) দায়ের করেছেন মোছা. ফাতেমা বেগম (৩৮)। এই মামলায় স্থানীয় ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।