ডায়ালসিলেট:: সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে গণধর্ষণ মামলার আসামি তারেকুল ইসলাম তারেককে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৯ এর একটি বিশেষ টিম। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার জগদল ইউনিয়নের বরমা গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। গ্রেফতারকৃত তারেকুল ইসলাম ওরফে তারেক আহমদ এই মামলার দুই নম্বর আসামি।
এ নিয়ে মহানগর পুলিশের ধর্ষণ মামলায় এজাহার নামীয় ৬ আসামিসহ ৮ জনকে গ্রেফতার করল সিলেট রেঞ্জ পুলিশ ও র্যাব। তারেককে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাব-৯ এর গণমাধ্যম শাখার কর্মকর্তা এএসপি ওবাইন রাখাইন। র্যাব জানিয়েছে, ধর্ষণের ঘটনায় এখন পর্যন্ত তারেকসহ আট জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
তবে তারেকের যে ছবিটির সাথে কোন মিল থাকবে না সেটি চেয়েছিল তারেক সেজন্য গ্রেপ্তার এড়াতে চুল ও দাড়ি কেটে ছদ্মবেশে পাড় পেয়ে যাবার চেষ্টা করেও হয়নি তার অবশেষে খাচায় বন্দী হতে হলো তাকে।

উল্লেখ্য, শুক্রবার বিকালে এমসি কলেজে বেড়াতে গিয়েছিলেন দক্ষিণ সুরমার এক দম্পতি। এ সময় কলেজ ক্যাম্পাস থেকে ৫-৬ জন যুবক জোরপূর্বক কলেজের ছাত্রাবাসে নিয়ে যায় দম্পতিকে। সেখানে একটি কক্ষে স্বামীকে আটকে রেখে ১৯ বছরের গৃহবধূকে দলবেঁধে ধর্ষণ করে তারা।
খবর পেয়ে রাত সাড়ে ১০টার দিকে গৃহবধূকে উদ্ধার করে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে শাহপরাণ থানা পুলিশ।
এ ঘটনায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও তিনজনকে আসামি করে শাহপরান থানায় মামলা করেন তরুণীর স্বামী। যে ছয়জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে তারা ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবেই পরিচিত- সাইফুর রহমান, তারেকুল ইসলাম ওরফে তারেক আহমদ, শাহ মাহবুবুর রহমান ওরফে রনি, অর্জুন লস্কর, রবিউল ইসলাম ও মাহফুজুর রহমান ওরফে মাসুম।