রিকশাচালকের রেইনকোট দিল শাবিপ্রবির স্বপ্নোত্থান

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি :: বৃষ্টি থেকে রক্ষার্থে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) অভ্যন্তরের রিকশা চালকদের মাঝে রেইনকোট বিতরণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘স্বপ্নোত্থান’।

 

মঙ্গলবার এ রেইনকোট বিতরণ করা হয়েছে বলে জানান সংগঠনটির প্রচার সম্পাদক মাহবুবুর রহমান। এসময় ১৯ জন রিকশা চালকের মাঝে রেইনকোট বিতরণ করা হয়।

 

রেইনকোট বিরতণ নিয়ে রিকশা চালক সাবের আলী বলেন, অতিরিক্ত বৃষ্টির দিনে আমাদের রিকশা চালাতে অনেক কষ্ট হয়। ভেজা শরীর নিয়ে সারাদিন রিকশা চালাতে হয়। স্বপ্নোত্থানের কাছ থেকে রেইনকোট পেয়ে আমরা অনেক আনন্দিত। এমন উদ্যোগের জন্য আপনাদের ধন্যবাদ।

 

স্বপ্নোত্থানের সহ সভাপতি সারাবান তাহুরা বর্ষা বলেন, অনেক সময় ক্যাম্পাসে অটো পাওয়া না গেলে এই রিকশাগুলোই আমাদের একমাত্র যাতায়াতের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। কিন্তু বাংলাদেশে অধিক বৃষ্টিপাতের অঞ্চল গুলোর মধ্যে সিলেট অন্যতম। এই বৃষ্টিতে ভিজে অনেক রিকশাওয়ালা অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাতে তাদের জীবিকা নির্বাহের বিঘ্ন ঘটে। বৃষ্টিতে যেন তাদের জীবিকা নির্বাহ করতে সমস্যা না হয় তাই স্বপ্নোত্থান তাদের জন্য রেইনকোটের ব্যবস্থা করছে। এই আয়োজন তাদের জন্য সহায়ক হবে বলে স্বপ্নোত্থান আশাবাদী।

 

প্রসঙ্গত, শাবিপ্রবি ক্যাম্পাসে অনেকেই রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। অনেকসময় বৃষ্টি উপেক্ষা করে জীবিকার তাগিদে দিনভর ছুটতে হয় তাদের। এতে বৃষ্টি থেকে রক্ষার্থে ছোট ছোট পলিথিন ব্যবহার করেন তারা, যা বৃষ্টির পানি প্রতিরোধে পর্যাপ্ত নয়। বৃষ্টিতে ভেজার কারণে বিভিন্ন সময় তারা অসুস্থও হয়ে পড়েন। তাই তাদের জীবিকার পথ সুগম করতে স্বপ্নোত্থান আয়োজন করছে স্বপ্নের বর্ষাতি।

 

১

জগন্নাথপুরে হত্যা মামলার আসামিদের বাড়িঘরে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ ​জগন্নাথপুর প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার মীরপুর ইউনিয়নের উত্তর গড়গড়ি গ্রামে একটি হত্যা ঘটনার পর প্রতিপক্ষের অন্তত বেশ কয়েকটি বাড়িঘরে দফায় দফায় হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে।গত ১৮ অক্টোবর রাতে শূন্য বাড়িগুলোতে অগ্নি সংযোগ করা হয়। ভুক্তভোগীদের দাবি, জগন্নাথপুর থানা পুলিশ এ বিষয়ে কোনো মামলা নিচ্ছে না। হামলায় বসতঘর ও খামার থেকে গবাদিপশু, স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো অভিযোগ করেছে। ​ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই আসামিপক্ষের পরিবারগুলো চরম আতঙ্কে রয়েছে। কয়েকটি বাড়ি পুরো পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে। আর এই শূন্য বাড়িগুলোকে লক্ষ্য করে দফায় দফায় হামলা চালানো হচ্ছে। এমনকি গত রাতেও আসামিদের বসতঘরে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। ​গতকাল ১৯ অক্টোবর সরেজমিনে উত্তর গড়গড়ি গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, পুরুষশূন্য বাড়িগু রয়েছে, পরিত্যক্ত বাড়িগুলোতে, দফায় দফায় অগ্নিসংযোগ করে যাচ্ছে, প্রতিপক্ষরা, থানায় অভিযোগ করলেও, কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। ঘরের ভেতরের আসবাবপত্র ভেঙে চুরমার করে যত্রতত্র ছিটিয়ে রাখা হয়েছে এবং আগুনে পুড়িয়ে ছাই করে দেওয়া হয়েছে। ঘটনার পর থেকে পরিবারের পুরুষ সদস্যরা আত্মগোপনে থাকায় নারী ও শিশুরা চরম মানবেতর জীবনযাপন করছেন এবং বাধ্য হয়ে আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন। ​হামলা, লুটপাট ও ক্ষয়ক্ষতির ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে সুনামগঞ্জ আদালত ও জগন্নাথপুর থানায় মোট চারটি পৃথক লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এর মধ্যে সুনামগঞ্জের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি সিআর মামলা (মামলা নং— ১৮৮/২০২৬) দায়ের করেছেন মোছা. ফাতেমা বেগম (৩৮)। এই মামলায় স্থানীয় ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

শিক্ষা নিয়ে আরও পড়ুন

জগন্নাথপুরে হত্যা মামলার আসামিদের বাড়িঘরে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ ​জগন্নাথপুর প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার মীরপুর ইউনিয়নের উত্তর গড়গড়ি গ্রামে একটি হত্যা ঘটনার পর প্রতিপক্ষের অন্তত বেশ কয়েকটি বাড়িঘরে দফায় দফায় হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে।গত ১৮ অক্টোবর রাতে শূন্য বাড়িগুলোতে অগ্নি সংযোগ করা হয়। ভুক্তভোগীদের দাবি, জগন্নাথপুর থানা পুলিশ এ বিষয়ে কোনো মামলা নিচ্ছে না। হামলায় বসতঘর ও খামার থেকে গবাদিপশু, স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো অভিযোগ করেছে। ​ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই আসামিপক্ষের পরিবারগুলো চরম আতঙ্কে রয়েছে। কয়েকটি বাড়ি পুরো পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে। আর এই শূন্য বাড়িগুলোকে লক্ষ্য করে দফায় দফায় হামলা চালানো হচ্ছে। এমনকি গত রাতেও আসামিদের বসতঘরে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। ​গতকাল ১৯ অক্টোবর সরেজমিনে উত্তর গড়গড়ি গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, পুরুষশূন্য বাড়িগু রয়েছে, পরিত্যক্ত বাড়িগুলোতে, দফায় দফায় অগ্নিসংযোগ করে যাচ্ছে, প্রতিপক্ষরা, থানায় অভিযোগ করলেও, কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। ঘরের ভেতরের আসবাবপত্র ভেঙে চুরমার করে যত্রতত্র ছিটিয়ে রাখা হয়েছে এবং আগুনে পুড়িয়ে ছাই করে দেওয়া হয়েছে। ঘটনার পর থেকে পরিবারের পুরুষ সদস্যরা আত্মগোপনে থাকায় নারী ও শিশুরা চরম মানবেতর জীবনযাপন করছেন এবং বাধ্য হয়ে আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন। ​হামলা, লুটপাট ও ক্ষয়ক্ষতির ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে সুনামগঞ্জ আদালত ও জগন্নাথপুর থানায় মোট চারটি পৃথক লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এর মধ্যে সুনামগঞ্জের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি সিআর মামলা (মামলা নং— ১৮৮/২০২৬) দায়ের করেছেন মোছা. ফাতেমা বেগম (৩৮)। এই মামলায় স্থানীয় ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।