হবিগঞ্জে বাস-ট্রাকের ত্রিমুখী সংঘর্ষে নিহত ৪, আহত ২৫

ডায়াল সিলেট ডেস্ক ::  ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে দুটি বাস ও ট্রাকের ত্রিমুখী সংঘর্ষে অন্তত ৪ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ২৫ জন। আজ শুক্রবার রাত সোয়া ১০টার দিকে মহাসড়কের শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মইনুল ইসলাম।  তবে তাৎক্ষণিক নিহতদের পরিচয় শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়েতে পারে বলে জানান তিনি।

মইনুল ইসলাম জানান, কুমিল্লা থেকে সিলেটগামী যমুনা পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে সিলেট থেকে ঢাকাগামী একটি পাথরবোঝাই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ সময় ঢাকা থেকে সিলেটগামী শ্যামলী পরিবহনের একটি বাসও দুর্ঘটনাকবলিত যমুনা পরিবহনের পেছনে ধাক্কা লাগে। এতে ঘটনাস্থলেই দুজন নিহত হন। আহত হন অসংখ্য যাত্রী।

আহতদের উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতাল ও সিলেট ওসমানি মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়। এর মধ্যে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে আসা আরও দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

এদিকে, হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায় আহতদের আর্তনাদ। অনেকেরই পা পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। কারও কারও পা কিংবা হাত একেবারে ভেঙে গেছে।

১

জগন্নাথপুরে হত্যা মামলার আসামিদের বাড়িঘরে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ ​জগন্নাথপুর প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার মীরপুর ইউনিয়নের উত্তর গড়গড়ি গ্রামে একটি হত্যা ঘটনার পর প্রতিপক্ষের অন্তত বেশ কয়েকটি বাড়িঘরে দফায় দফায় হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে।গত ১৮ অক্টোবর রাতে শূন্য বাড়িগুলোতে অগ্নি সংযোগ করা হয়। ভুক্তভোগীদের দাবি, জগন্নাথপুর থানা পুলিশ এ বিষয়ে কোনো মামলা নিচ্ছে না। হামলায় বসতঘর ও খামার থেকে গবাদিপশু, স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুট করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো অভিযোগ করেছে। ​ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই আসামিপক্ষের পরিবারগুলো চরম আতঙ্কে রয়েছে। কয়েকটি বাড়ি পুরো পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে। আর এই শূন্য বাড়িগুলোকে লক্ষ্য করে দফায় দফায় হামলা চালানো হচ্ছে। এমনকি গত রাতেও আসামিদের বসতঘরে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। ​গতকাল ১৯ অক্টোবর সরেজমিনে উত্তর গড়গড়ি গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, পুরুষশূন্য বাড়িগু রয়েছে, পরিত্যক্ত বাড়িগুলোতে, দফায় দফায় অগ্নিসংযোগ করে যাচ্ছে, প্রতিপক্ষরা, থানায় অভিযোগ করলেও, কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। ঘরের ভেতরের আসবাবপত্র ভেঙে চুরমার করে যত্রতত্র ছিটিয়ে রাখা হয়েছে এবং আগুনে পুড়িয়ে ছাই করে দেওয়া হয়েছে। ঘটনার পর থেকে পরিবারের পুরুষ সদস্যরা আত্মগোপনে থাকায় নারী ও শিশুরা চরম মানবেতর জীবনযাপন করছেন এবং বাধ্য হয়ে আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন। ​হামলা, লুটপাট ও ক্ষয়ক্ষতির ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে সুনামগঞ্জ আদালত ও জগন্নাথপুর থানায় মোট চারটি পৃথক লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এর মধ্যে সুনামগঞ্জের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি সিআর মামলা (মামলা নং— ১৮৮/২০২৬) দায়ের করেছেন মোছা. ফাতেমা বেগম (৩৮)। এই মামলায় স্থানীয় ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।