২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ধর্ষণের শিকার গৃহবধূর জবানবন্দি লিপিবদ্ধ আদালতে

গত শুক্রবার এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে ধর্ষণের শিকার গৃহবধূ নিজের সঙ্গে ঘটা জঘন্যতম  বর্বর ঘটনার লোমহর্ষক বর্ণনা দিয়েছেন জবানবন্দিতে। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে  সিলেট মহানগর হাকিম ৩য় আদালতের বিচারক শারমিন খানম নিলার কাছে তিনি এ জবানববন্দি দেন।

সিলেট মহানগর পুলিশের সহকারি কমিশনার (প্রসিকিউশন) অমূল্য কুমার চৌধুরী  বলেন, দুপুরে ওসমানী হাসপাতাল থেকে পুলিশ আক্রান্ত তরুণীকে  আদালতে নিয়ে আসে।পরে তিনি আদালতে ওই রাতের ঘটনার ব্যাপারে বিস্তারিত বর্ণনা দেন। আদালতে তার জবানববন্দি লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

এদিকে, রবিবার সকালে ছাতক খেয়াঘাট এলাকা থেকে ছাতক থানা পুলিশ গ্রেফতার করে মামলার প্রধান আসামী বালাগঞ্জ এর তাহিদ মিয়া্র ছেলে ছাত্রলীগ কর্মী সাইফুর রহমানকে। ঠিক একই দিনে ভোর ৬টার দিকে হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার মনতলা নামক এলাকা থেকে একই মামলার আসামী জকিগঞ্জের আটগ্রাম কানু লস্করের ছেলে অর্জুন লস্করকে গ্রেফতার করে সিলেট জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার এমসি কলেজে ঘুরতে আসা দক্ষিণ সুরমার এক দম্পতিকে আটক করে জোর করে ছাত্রাবাসে তুলে আনে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এরপর স্বামীকে বেঁধে মারধর করে

তার স্ত্রীকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে সাইফুরসহ অন্যরা। এ ঘটনায় শনিবার ছাত্রলীগের ৬ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে ৯জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন ধর্ষিতার স্বামী।

উক্ত আসামিরা হলো এম. সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান রনি, তারেক আহমদ, অর্জুন লস্কর, রবিউল ইসলাম ও মাহফুজুর রহমান। এরা সবাই ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত আছে। আসামিদের মধ্যে তারেক ও রবিউল বহিরাগত, বাকিরা এমসি কলেজের ছাত্র।