ডায়াল সিলেট ডেস্ক:সিলেটের ওসমানীনগর থেকে গণধর্ষণ মামলার এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৯। গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম জাহাঙ্গীর আলম (৩৫)। সে সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার তেতলি ইউনিয়নের আজিজুল হকের ছেলে।
বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) রাত ১১ টা ২০ মিনিটের সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৯ এএসপি সত্যজিৎ কুমার ঘোষ এর নেতৃত্বে ওসমানীনগর থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার জাহাঙ্গীর আলমকে বিশ্বনাথ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন র্যাব-৯ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গণমাধ্যম) মো. মনিরুজ্জামান।
প্রসঙ্গত, গত ৯ অক্টোবর সিলেট মহানগরীর দক্ষিণ সুরমা থানার তেতলী (চেরাগী) গ্রামস্থ বড় বোনের বাড়িতে বেড়াতে এসে গণধর্ষনের শিকার হয়ে পরদিন আত্মহত্যা করেন সিলেট জেলার বিশ্বনাথ উপজেলার লালটেক গ্রামের হতদরিদ্র শুকুর আলীর মেয়ে পপি বেগম (২১)। গণধর্ষনের বিষয়টি তিনি কাউকে না জানালেও তার ভ্যানটি ব্যাগে পাওয়া একটি নোটের সূত্র ধরে আত্মহত্যার আসল রহস্য উন্মোচিত হয়। চিরকুট পাওয়ার পর পপির বড় বোনের স্বামী ফয়জুল ইসলামসহ ৪ জনের নাম উল্লেখ করে এবং আরো ও কয়েক জনকে অজ্ঞাতনামা অভিযুক্ত করে বিশ্বনাথ থানায় মামলা দায়ের করেন তার পিতা শুকুর আলী। পপির রেখে যাওয়া সুইসাইড নোট ও তার পিতার মামলা দায়ের করার পর ব্যাপক তৎপর হয়ে উঠেন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এবং গ্রেপ্তার হয় এজহারনামীয় দুই অভিযুক্ত আসামি। এর মধ্যে ১৫ অক্টোবর রাতে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৯) এর এএসপি সত্যজিৎ কুমার ঘোষের নেতৃত্বে তার নিজ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় দক্ষিণ সুরমা উপজেলার তেতলী (চেরাগী) মৃত মতছির আলীর পুত্র জাহেদ হোসেন (২২)কে।