সায়েকুর রহমান সাক্কু ও শাহ মোশাহিদ আলী সমান ভোট পান। পরে সমঝোতার ভিত্তিতে দুজনকে ছয় মাস করে সভাপতির দায়িত্ব পালনের সিদ্ধান্ত হয়।
প্রথম ছয় মাস দায়িত্ব পালন করেন শাহ মোশাহিদ আলী। পরে তিনি সহসভাপতিকে সঙ্গে নিয়ে পদত্যাগ করলে পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। পূর্বনির্ধারিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সায়েকুর রহমান সাক্কু দায়িত্ব গ্রহণ করলে দুই পক্ষের বিরোধ আরও তীব্র হয়। এ বিরোধের জেরে শাহ মোশাহিদ আলীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ক্লাবের ব্যাংক হিসাবও তিন মাস বন্ধ ছিল বলে জানিয়েছেন সদস্যরা। এ নিয়ে উচ্চ আদালতে মামলা চলমান রয়েছে।
ক্লাবের নেতৃত্ব, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত ও সদস্যদের মধ্যে দূরত্ব; সব মিলিয়ে ভেতরে ভেতরে চলা বিরোধের মধ্যেই নতুন করে সামনে এসেছে হাতাহাতির পুরোনো ভিডিও। সদস্যদের একাংশের ধারণা, চলমান বিরোধের প্রেক্ষাপটেই ভিডিওটি আবার আলোচনায় এসেছে। তবে ভিডিওটি নতুন করে ছড়িয়ে দেওয়ার পেছনে কারা রয়েছেন, তা জানা যায়নি।
থানায় সাধারণ ডায়েরি, আইনি পরামর্শ নিচ্ছে ক্লাব
ভিডিওটি নতুন করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে ক্লাব কর্তৃপক্ষ। বিষয়টি নিয়ে আইনজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সভাপতি সায়েকুর রহমান সাক্কু। তাঁদের পরামর্শের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
ব্রিটিশ আমলে গড়ে ওঠা সিলেট স্টেশন ক্লাবের মতো ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ বিরোধ এখন আর কেবল একটি পুরোনো হাতাহাতির ঘটনায় সীমাবদ্ধ নেই। ভিডিও প্রকাশ, শাস্তিমূলক ব্যবস্থা, গঠনতন্ত্রের ব্যাখ্যা এবং নেতৃত্বের দ্বন্দ্ব; সবকিছু মিলিয়ে ঘটনাটি নতুন মাত্রা পেয়েছে।