ইউরোপে শীতকালীন সময় শুরু

ইউরোপের বিভিন্ন দেশে শীতকালীন সময়সূচি কার্যকর হয়েছে। গ্রীষ্মকালীন সময়সূচি বা ডেলাইট সেভিং টাইম (ডিএসটি) শেষ হওয়ায় স্থানীয় সময় রোববার (২৫ অক্টোবর) ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে বাংলাদেশ ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশের মধ্যে সময়ের ব্যবধান বেড়েছে।

নতুন সময়সূচি অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যের সঙ্গে বাংলাদেশের সময়ের ব্যবধান এখন ছয় ঘণ্টা। অর্থাৎ, যুক্তরাজ্যে দুপুর ১২টা হলে বাংলাদেশে তখন সন্ধ্যা ৬টা। গ্রীষ্মকালীন সময়সূচিতে দুই দেশের সময়ের ব্যবধান ছিল পাঁচ ঘণ্টা।

এদিকে জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি ও স্পেনসহ ইউরোপের মূল ভূখণ্ডের অধিকাংশ দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সময়ের ব্যবধান বেড়ে পাঁচ ঘণ্টা হয়েছে। আগে এই ব্যবধান ছিল চার ঘণ্টা।

সময়ের এই পরিবর্তনের প্রভাব পড়েছে প্রবাসী বাংলাদেশিদের দৈনন্দিন জীবন, আন্তর্জাতিক যোগাযোগ, ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিমান চলাচলের সময়সূচিতে। বিশেষ করে ইউরোপে বসবাসরত প্রবাসীদের বাংলাদেশে থাকা স্বজনদের সঙ্গে যোগাযোগের সময় নতুন করে সমন্বয় করতে হবে।

সময়সূচি পরিবর্তনের কারণে বিভিন্ন এয়ারলাইনস তাদের ফ্লাইটের সময়ও সমন্বয় করেছে। তাই যাত্রীদের ভ্রমণের আগে টিকিটে উল্লেখ করা সময় ও বোর্ডিংয়ের তথ্য ভালোভাবে যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

ইউরোপের দেশগুলোতে দিনের আলোর সর্বোচ্চ ব্যবহার এবং জ্বালানি সাশ্রয়ের উদ্দেশ্যে দীর্ঘদিন ধরে গ্রীষ্ম ও শীতকালীন সময়সূচি চালু রয়েছে। সাধারণত মার্চ মাসের শেষ রোববার ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা এগিয়ে গ্রীষ্মকালীন সময় শুরু হয়। আর অক্টোবরের শেষ রোববার ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পিছিয়ে শীতকালীন সময়সূচি কার্যকর করা হয়।

ঘড়ির কাঁটা এক ঘণ্টা পিছিয়ে দেওয়ায় ইউরোপের বাসিন্দারা ওই দিন অতিরিক্ত এক ঘণ্টা সময় পান। তবে শীতকালীন সময়সূচিতে দিনের আলো তুলনামূলক আগে শেষ হওয়ায় সন্ধ্যা দ্রুত নামবে।