৮ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ইউরোপের মাটিতে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়

 

ডায়ালসিলেট ::  ইউরোপের ভেন্যুতে প্রথমবারের মতো ইউরোপের কোনও দলের বিপক্ষে খেলল বাংলাদেশ। এই ঐতিহাসিক ম্যাচের সব আলো নিজের দিকে কেড়ে নিয়েছেন ডিফেন্ডার তপু বর্মণ। একটিই না, দুইটি গোল করে তিনি বাংলাদেশের জয়ে মূল ভূমিকায় অবদান রাখেন।

শুক্রবার, ৫ জুন, ফিফা প্রীতি ম্যাচে বাংলাদেশকে স্বাগত জানায় সান মারিনো। স্তাদিও অলিম্পিকো সেরাভালে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে স্বাগতিকদের বিপক্ষে ২-১ গোলের জয় পায় বাংলাদেশ। প্রথমার্ধে ১-১ গোলে সমতা থাকলেও, দ্বিতীয়ার্ধে আবারও জোড়া গোল করেন তপু বর্মণ। তাঁর জোড়া গোলের বিপরীতে এক গোল শোধ দেন সান মারিনোর নিকোলাস জাকোপেত্তি। এটি ছিল বাংলাদেশের ডাগআউটে জার্মান কোচ থমাস ডুলির প্রথম ম্যাচ। শুরুতে তিনি সমিত সোম, ফাহামেদুল ইসলাম ও জায়ান আহমেদদের বাইরে রেখে খেলেন।

 

তবে বিরতির পর বেশ কিছু পরিবর্তন এনে দলের সামর্থ্য দেখান তিনি, এবং নিজের প্রথম অ্যাসাইনমেন্টেই জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন। ম্যাচের প্রথমার্ধে বাংলাদেশ বেশ আক্রমণ করে। ১৭তম মিনিটে জামাল ভূঁইয়ার শট প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারদের বাধার মুখে আটকে যায়। দুই মিনিট পর, ডান দিক থেকে মোরছালিনের ক্রসে তপু বর্মণ হেডে বাংলাদেশকে লিড দেন।

 

তবে ৩১ মিনিটে সান মারিনো সমতায় ফেরে। ডান দিক থেকে বেরার্দি বক্সে ঢুকে তপুকে কাটিয়ে কাটব্যাক দেন। সেই সুযোগে নিকোলাস জাকোপেত্তি লক্ষ্যভেদ করেন। বিরতির পরে বাংলাদেশ আরও আক্রমণ করে। ৪৮ মিনিটে হামজার ক্রসে রফিকুল দারুণ একটা সুযোগ তৈরি করেন, কিন্তু গোলমুখে পা ছোঁয়াতে পারেননি। এরপর ৫৩ মিনিটে ফাহিমের শট গোলের খুব কাছ থেকে বেরিয়ে যায়। ম্যাচের শেষের দিকে বেশ কিছু পরিবর্তন আসে এবং ম্যাচের ৮৬তম মিনিটে তপু আবারও গোল করেন। এই গোলের মাধ্যমে বাংলাদেশ ২-১ গোলে এগিয়ে যায়।

 

গোলের পরে জার্সি খুলে উল্লাসে ফেটে পড়েন তপু, আর গ্যালারিতে বাংলাদেশের দর্শকরাও আনন্দে মাতোয়ারা হয়ে ওঠেন।

 

অবশেষে, এই ঐতিহাসিক ম্যাচের ফলাফল ২-১ এ বাংলাদেশ জয়ী হয়ে মাঠ ছাড়ে। এটি বাংলাদেশের ফুটবল ইতিহাসে এক অনন্য দিন, যেখানে তারা প্রথমবারের মতো ইউরোপের দলের বিপক্ষে জয় লাভ করে।

 

`);printWindow.document.close(); }) .catch(error => console.error("Error loading print page:", error)); }); });