সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ড সংখ্যা ২৭টি থেকে ৪২টিতে উন্নীত হয়েছে। নতুন ওয়ার্ডগুলো থেকে এখনো সিটি কর্পোরেশন কোনো ট্যাক্স পায় না। তারপরও এসব এলাকার উন্নয়নে সিসিকের সদিচ্ছার কোনো ঘাটতি নেই। ইউনিয়ন থেকে নগরে অন্তর্ভুক্ত হওয়া এসব এলাকা দীর্ঘদিন উন্নয়নবঞ্চিত ছিল। তাই নগরের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পরও যদি এসব এলাকায় উন্নয়ন না হয়, তা অত্যন্ত দুঃখজনক।
রোববার বিকেলে ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের মিরাপাড়া পূর্বটিলা এলাকায় সড়ক ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার সার্বিক পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন ও এলাকাবাসীর সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
সিসিক প্রশাসক বলেন, নতুন ওয়ার্ডগুলোর মানুষ যাতে নগরের প্রকৃত সুযোগ-সুবিধা ও শহরের আমেজ পান, সে লক্ষ্যেই সিসিক কাজ করছে। এ জন্য নতুন ১৫টি ওয়ার্ডে তুলনামূলকভাবে বেশি উন্নয়নকাজ করা হচ্ছে। এসব এলাকায় বড় বড় সড়ক নির্মাণের পাশাপাশি ড্রেনেজ ব্যবস্থারও উন্নয়ন করা হবে।
সিসিক প্রশাসক বলেন, বিটুমিনের সড়ক তুলনামূলকভাবে দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। তাই টেকসই উন্নয়নের কথা বিবেচনা করে নতুন সড়ক নির্মাণে আরসিসি ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে সড়কগুলো দীর্ঘস্থায়ী হবে এবং অন্তত ৫০ বছর টেকসই হওয়ার উপযোগী করে নির্মাণ করা সম্ভব হবে।
মিরাপাড়া পূর্বটিলা এলাকার উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ এলাকার সড়ক ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার সার্বিক উন্নয়ন করা হবে। তবে সড়ক ও ড্রেন প্রশস্ত করার জন্য জনস্বার্থে এলাকাবাসীকে কিছু ভূমি ছেড়ে দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে সবাইকে সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে। পাশাপাশি মসজিদেরও উন্নয়ন করা হবে।
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, তিনি বারবার এ এলাকায় আসবেন এবং এলাকার মানুষের ভালো-মন্দের সঙ্গে থাকতে চান। নগরবাসীর কল্যাণে সিটি কর্পোরেশন সবসময় মানুষের পাশে থাকবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ৩২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জিয়াউর রহমান সুমন, মিরাপাড়া কেন্দ্রীয় মসজিদের মোতওয়াল্লি আব্দুল খালিক বাবর, সাধারণ সম্পাদক সালেহ আহমদ, লোকমান আহমদ, আব্দুল আহাদ, তারেক আহমদ, আব্দুল মতিন, জুনা মিয়া, সুহেল আহমদ, নজরুল ইসলাম, আদেল আহমদ, শিপু আহমদ প্রমুখ।