সরকার অনুমতি দিলে ক্রসফায়ারও করব’, বললেন আইজিপি

 

তিযেখানে ক্রসফায়ার যদি প্রয়োজন হয়, সরকার যদি অ্যালাও করে, আমরা সেইটা করব।’নি আরও বলেন, কে ক্ষমতায় আসবে বা কে কখন আসবে, তা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিবেচ্য বিষয় নয়। আইন ও সংবিধান অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করাই তাদের কাজ।

পুলিশের কর্মকাণ্ড নিয়ে সমালোচনার প্রসঙ্গে আইজিপি সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, পুলিশ লাঠিপেটা করলে তাকে ফ্যাসিস্ট বলা হয়, আবার নীরব থাকলে দুর্বল বলা হয়। দায়িত্ব পালনের জন্য পুলিশকে উপযুক্ত পরিবেশ ও ক্ষমতা দিতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

আইজিপি বলেন, ‘আপনার সুখে, শান্তিতে বসবাস করতে হলে পুলিশের কোনো বিকল্প নাই।’ দেশের শান্তি, শৃঙ্খলা, সমৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে পুলিশকে ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা না করতেও বলেন।

আইন ও সংবিধান মেনে চলার ওপর গুরুত্ব দিয়ে আলী হোসেন ফকির বলেন, ‘দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত পুলিশের প্রয়োজন, এটা স্বীকার করে নিয়ে আইন এবং সংবিধান অনুযায়ী আমাকে দায়িত্ব পালন করতে দিন।’

পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে অপরাধের অভিযোগ উঠলে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলেন তিনি। তাঁর ভাষ্য, পুলিশের কেউ অপরাধ করলে ব্যবস্থা না নেওয়া হলে সে বিষয়ে সমালোচনা করা যৌক্তিক। তবে মিথ্যা অভিযোগ ও গুজবে কান না দিয়ে প্রকৃত ঘটনা যাচাই করে প্রতিকারের উদ্যোগ নেওয়া উচিত।

সাংবাদিকদের একাংশের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে আইজিপি বলেন, কিছু ঘটনা নিয়ে সাংবাদিকেরা যথাযথভাবে প্রতিবেদন করেন না এবং পরে পুলিশকে অকার্যকর বলে সমালোচনা করেন। এ ধরনের আচরণ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তিনি।

জুলাই অভ্যুত্থানের পর পুলিশের পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে আইজিপি বলেন, সে সময় পুলিশ সদস্যরা রাস্তায় দায়িত্ব পালন করতে ভয় পেতেন। সেখান থেকে বর্তমান পরিস্থিতি বদলে জনগণকে স্বস্তি ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ দিতে পুলিশ দিনরাত কাজ করছে বলে দাবি করেন তিনি।

তবে ক্রসফায়ার বলতে কী ধরনের পরিস্থিতিকে বোঝানো হয়েছে এবং এ ধরনের পদক্ষেপের ক্ষেত্রে কী আইনি কাঠামো অনুসরণ করা হবে, সে বিষয়ে বক্তব্যে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেননি আইজিপি।